দূর দিগন্ত হতে মনকাড়া বাঁশির সুরে
একা এক কিশোরী থেকে থেকে কেবল
দীর্ঘশ্বাস ফেলে আর সবাইকে লুকিয়ে
চোখের কোনা মুছে অভিশাপ দেয় অজ্ঞাত
তাহারে, যে আজো আসেনি এবং কেউ তাকে
বলেনি, উঠ ছুঁড়ি, তোর বিয়া।
তোমরা দেখো গো আসিয়া-
কমলায় নৃত্য করে থমকিয়া থমকিয়া।
অজ্ঞাত মানুষে তার অভিমানের পাহাড়
উঁচু হতে হতে কষ্টের মেঘ ছুয়ে ফেলবে
যে কোনদিন বা যে কোন রাতে। অজ্ঞাতবাস
হতে সেই অজ্ঞাত এসে বলেনি, আমি
অপেক্ষা করে করে ক্লান্ত হয়ে গেছি। তুমি
চিঠি দাওনি কেন, চিঠি লিখলেনা কেন?
কেউ কেউ একা একা অভিমান করেন,
অচেনা মানুষের জন্য হাহাকার করে করে
কষ্ট নিয়ে দিন পার করে আকাশে উড়ায়
খাঁচায় পোষা শিস বাজানো টিয়া।
তোমরা দেখো গো আসিয়া-
কমলায় নৃত্য করে থমকিয়া থমকিয়া।
একদিন কাক ডাকা ভোরে সবাই অবাক হয়ে
জানবে, অজ্ঞাতের সাথে অজানায় পালিয়েছে
আমাদের বিরহী কিশোরী। সেদিনও সকালে
যাত্রার বিজ্ঞাপনী মাইকে গানটা বাজছিল,
তোমরা দেখো গো আসিয়া-
কমলায় নৃত্য করে থমকিয়া থমকিয়া।
(কবিতাটি আমার স্বগতোক্তি কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত)
Comments
First reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.
-
-
ক্লাসিক লিখেছেন। একটা ফোক গানকে নিজস্ব অনুভুতির সাথে যে ব্লেন্ডিং করেছেন, তা অপূর্ব হয়েছে। সিম্পলি ক্লাসিক।