২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম আর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঘোষণা করতে যাচ্ছে সুইডিশ একাডেমি। কোন লেখক বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই সাহিত্য সম্মাননাটি পেতে পারেন সে বিষয়ে রয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কারণ সুইডিশ একাডেমির ঘোষণার আগে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার খুব একটা সুযোগ নেই। সাহিত্য একাডেমির সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, পূর্ববর্তী পুরস্কারজয়ী এবং স্বীকৃত লেখক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ যোগ্য ব্যক্তিরা প্রার্থীদের নাম প্রস্তাব করেন। সুইডিশ একাডেমি বিজয়ী নির্বাচনের আগে সাহিত্যে নোবেল কমিটি প্রস্তাবিত নামগুলো যাচাই-বাছাই করে থাকে। এই নামগুলো ৫০ বছর ধরে গোপন রাখা হয়, তাই পছন্দের কোনো তালিকা তৈরি করাটা অনিবার্যভাবেই অনুমাননির্ভর।
এদিকে নোবেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ লেখকদের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও রয়েছে। কারণ এপর্যন্ত নোবেল পাওয়া লেখকদের বেশিরভাগই শ্বেতাঙ্গ। কৃষ্ণাঙ্গ কিংবা মিশ্র বর্ণের লেখকদের খুব কমই নোবেল পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হয়। ১৯০১ সাল থেকে নোবেল প্রাইজ দেয়া হচ্ছে। অথচ মাত্র ১ জন আরব লেখক মর্যাদাবান এই পুরস্কারটি জিততে সক্ষম হয়েছেন। মিশরীয় উপন্যাসিক নাগিব মাহফুজ ১৯৮৮ সালে নোবেলজয়ী প্রথম আরব লেখক হন এবং তিনিই এখন পর্যন্ত একমাত্র আরব বিজয়ী হিসেবে রয়েছেন। প্রায় চার দশক পর এই অঞ্চলের আরও কয়েকজন লেখকের তার পদাঙ্ক অনুসরণের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এবারের নোবেল পুরস্কারের আলোচনায় থাকা উল্লেখযোগ্য আরব লেখকরা হলেন:
১. অ্যাডোনিস (তার আসল নাম আলি আহমাদ সাইদ ইসবার) - সিরীয় কবি।
২. ইব্রাহিম আল কোনি - লিবিয়ান তুয়ারেগ উপন্যাসিক।
৩. আমিন মালুফ - লেবানিজ বংশোদ্ভূত ফরাসি লেখক।
৪. হোদা বারাকাত - লেবানিজ উপন্যাসিক।
৫. তাহার বেন জেলুন - মরক্কোর উপন্যাসিক, কবি ও প্রাবন্ধিক।
৬. লেইলা আবুলেলা - সুদানি উপন্যাসিক।
৭. সামার ইয়াজবেক - সিরীয় লেখক।
৮. বুশরা আল মাকতারি - ইয়েমেনি উপন্যাসিক।
৯. সালিম বারাকাত - সিরীয়-কুর্দি কবি ও উপন্যাসিক।