হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ যেখানে ছায়া এসে দাঁড়িয়ে পড়ে,
সেখানে না থাকে কোনো উত্তাপ, না কোনো অভিশাপের শীত।
আলো-আঁধারির বুননে বোনা একটা নরম মধ্যপথ,
যে পথে পা রাখলে বুকের ভেতর আর ঢেউ ওঠে না।
বলোনি তো কখনো কিছু, আমিও নীরব থেকেছি বরাবর,
অথচ এই না বলা কথাগুলোর ভেতরেই তো থিতু হয়েছে ঘর।
না তুমি ডেকেছ কাছে, না আমি দূরে সরিয়ে দিয়েছি হাত,
এভাবে দুজনে মিলে পার করে দিলাম কত শত মধ্যরাত।
চোখে চোখ রাখা বারণ, তবু এই ভিড়ের বাজারেও
কেউ যেন অচেনা ছায়ায় হাত ধরে থাকে নিভৃতে।
ভালোবাসার ভারী চাবিটা হয়তো হারিয়ে গেছে কোনো রাস্তার মোড়ে,
অথচ কোথাও নতুন তালাও তো আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
ঠিক দুপুর আর সন্ধ্যার মাঝখানের এই ক্ষণস্থায়ী আলো,
যেখানে সবকিছু স্পষ্ট, অথচ সবকিছুই বড় বেশি অস্পষ্ট।
আমরা কি তবে এভাবেই পথ চলব অনন্তকাল ধরে,
যেখানে নামহীন এক দীর্ঘশ্বাস এসে আমাদের আলতো ছুঁয়ে যায়?