অথচ জোনাকি পোকা অন্ধকারকেই সবচেয়ে
বেশি ভয় পেয়েইতো আলো জ্বালায়।
এই রাতে যেখানে ধানগাছের পাশে সাপ
কুন্ডলি পাকায়, আর কুয়াশার কাঁধে ঝরে পড়ে
উপেক্ষিত কোনো সুখদ স্মৃতি।
সেইখানে আমি হেঁটে যাই,
আমার প্রাণে এক বিস্মৃত বাউলের গানের কণ্ঠ,
সেই সুর আমাকেই ডাকে,
ঘাসের ভিতর, বৃষ্টির ছায়ায়, হয়তো বা স্বপ্নের ভিতরেও।
আলো আমি পাইনি, তাই চোখ জ্বলে ওঠে
একটা ক্ষতচিহ্ন থেকে, কিংবা পুরোনো চিঠির কালি থেকে,
নির্জনতা আর শব্দের ভেতরে
বেঁচে থাকি ক্ষয়ে যাওয়া কোনো অলৌকিক দিনের মতো।
আমি দেখেছি,
সুদূর ছায়ার মতো পাহাড় হাঁটে ক্লান্ত মানুষের মতো,
শিশিরের শব্দে জোনাকিরা, গোপন আতঙ্কে আলো জ্বালে।
যেমন আমি, কবিতার নিঃশব্দ খাঁচায়
নিজেকে গোপনে পোষ মানাই।
বলা যায়,
জীবনটা এক অন্ধ পাখির উড়ে যাওয়ার মতো।
তার ডানায় পাথর, তার গানে বৃষ্টি,
এবং সে ভয় থেকেই জন্ম নেয় আলো।
সেই ভয়টাই আমার কবিতা।