তখন আকাশে সূর্য্য লাল। একটি বাচ্চা মেয়ের জন্ম হলো। নাম সাকুসি। সাকুসি জন্মের দিনই তার দাদী মারা গেল। সাকুসিকে ধরা হলো অভিশপ্ত বাচ্চা।
সাকুসির বাবা মা তখন থেকেই মেয়েকে সন্দেহের চোখে দেখতো৷ সাকুসির যখন ৫ বছর তখন তার মা তাকে ছেড়ে অন্যলোকের কাছে চলে যায়। লোকটা ছিল ভ্যম্পায়ার৷ সেই লোকের সাথে রাত কাটিয়ে আবার চলে আসে। সাকুসির বাবা তখন সেটা মন থেকে মেনে নেয় না। সাকুসির মা কে ছেড়েও দেয় না। তিনি আরেকটা বিয়ে করেন।
এর মাঝে সাকুসি তখন লক্ষ্য করে একটা লম্বা কালো ছায়া সবসময় তাকে ধরতে চায়। যেন সেই কালো ছায়া তাকে টানসে নিজের মাঝে। সাকুসি ভয় পায়। কিন্তু কিছু বুঝে না, কাউকে বলেও না। সাকুরী ভাঙ্গা পরিবারের কারনে তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। সে তার পুতুল নিয়ে খেলতো সারাদিন৷ সাকুসির বাবা হঠাৎ করে দানবে রুপ নেয়। উনার চোখের রং আজকাল সবুজ রঙ্গে রুপ নেয়।
একদিন সাকুসির বাবা রাতের মেয়ে সাকুসি কে নিয়ে বের হয় জঙ্গলে। সেদিন তার বাবাকে দেখে সে ভয় পায়। কারন তার বাবা আসল রুপে ফিরে আসে। এক হিংস্র শেয়াল৷ যে তাকে কামড়াতে চায়৷ সাকুসি ভয় পেলেও কোন লাভ হয় না। হঠাৎ সেই কালো ছায়া তাকে এসে জড়িয়ে ধরে। সে দেখে সেই কালো ছায়া তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে কৃষ্ণগহ্বরে.....
চোখ খুলে দেখে সবই কল্পনা তার বাবা নরমাল রুপে ফিরে আসছে। সে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল তাই তাকে মুখে পানি দিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে দিল। কিন্তু আশ্চর্য ব্যপার। এখন থেকে সে নিজের ভেতরে সেই কালো ছায়াকে অনুভব করে। কথা বলে সেই কালো ছায়ার সাথে৷ এখন সে চাইলেও আলো পাবে না।
#সাকুসি
#রুদ্র_সিয়াম
#সাইকলোজিক্যাল_গল্প