যে যীশু ভগবান নিজেকেই
ক্রুসবদ্ধ হতে বাচাতে পারে না।
সে কিসের ভগবান, কিসের দেবতা?
কিসের মানবজাতি বাচানোর মিথ্যা অহংকার করে?
যীশু ভগবান হলে যদি আগে থেকে সব জানতেন,
তাহলে তো অবশ্যই ঘটনা পরিবর্তনশীল হতো।
ইহুদীরা তো সেটাই চেয়েছিল,
আকাশ থেকে বর্জ্যপাত আকষ্মিক কিছু হোক।
তবুও কোন ভগবান তাকে বাচায়নি।
যেখানে ইশ্বরপুত্র হয়েও প্রকৃতির নির্দয়তা ক্ষমা করেনি,
সেখানে মানবজাতির পাপ কিভাবে উনি ক্ষমা করবেন?
ফাদার কিংবা পুত্র সব বড়াই করে মৃত্যুর পরে,
তাহলে পৃথিবীতে কার ক্ষমতা চলে?
ম্যচিয়াভেলি বলে দুর্বল সেই যীশু যে ইশ্বরে বিশ্বাসী।
যীশু রাজা হতে চেয়েছিল।
তবে সততা দিয়ে তো রাজ্য জয় হয় না।
যীশুর মৃত্যুর ৩য় দিন পুনর্জাগরণ হয়েছিল,
সবই পলের হ্যলুসিনেশন ছিল।
পল মানুষকে বিভ্রান্ত করে মিথ্যা গুজব ছড়িয়েছিল।
মানুষ সত্যের চেয়ে মিথ্যাই গ্রহন করেছিল।
কারন মানুষ দুর্বলের প্রতি মায়া জন্মেছিল।
তবে সত্য থেকে তারা দূরে ছিল।
পল ছিল মিথ্যাবাদী।
হাজার বছরের প্রচলিত খ্রিস্টানরা,
যারা নিজেরাই নিজেদের করিত ধ্বংস।
তারা বুঝেছিল শত্রু তো ছিল বাইরের অন্ধকারে,
ইউরোপ ধর্মের রক্তে রন্জিত হয়েছিল যেদিন।
সেদিনই রাজারা চুক্তিবন্ধ হলো।
শুরু হলো এক নতুন যুগের সূচনা।
জন্ম নিল গড ইজ ডেথ নিটশের অমর বানী।
#বোহেমিয়ান
#রুদ্র_সিয়াম