রাজপথজুড়ে আজ স্লোগানের জোয়ার, অগ্নিযুবকেরা হেঁটে যায়,
খাকি পোশাকের নিচে চেপে রাখা হাহাকার ফিসফিস করে ছায়ায়।
চায়ের ধোঁয়া আর রক্তিম ক্ষোভ মেশে অমাবস্যার চালে,
রাষ্ট্রের প্রহরী চুপচাপ বসে আছে লাল চায়ের কাপে।
অদৃশ্য শিকল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসে একটা ভাঙা শিস,
লেবেল আঁকা চামড়ায় চাপা থাকে নিষিদ্ধ কত বিষ!
আরো জোরে হাঁকো অট্টহাসি, মিছিলে ঢালো বিষাদের জল,
কানে কানে বলে সরকারি ঠোঁট, ভেতরে তারও ফুঁসে গোপন অনল।
পোশাকের সিলমোহরে সাঁটানো বুর্জোয়া চোখ,
ভেতরে ভেতরে সেও তো খোঁজে অন্ধকারের শোক।
শহরের বুকে কালো পিচ গলে চুইয়ে পড়ে দ্রোহের লালা,
খাকি কাপড়ের ফাঁকে আটকে থাকা এক নিদারুণ জ্বালা।
বুটের তলায় পিষ্ট স্বপ্নগুলো আবার চাচ্ছে ডানা,
অক্ষরগুলো আজ বারুদ হয়ে ভেঙে ফেলে সব মানা।
কংক্রিটের কঙ্কাল থেকে ঝরে পড়ে অন্ধ সময় ও শব্দহীন ধূলি,
ছদ্মবেশী চামড়ার নিচে এক হয়ে জ্বলে রুদ্ধ সলতে-উন্মাদ আগুনগুলি।
নগরীর ধমনিজুড়ে আজ মাংস আর লোহার চিৎকার,
লাঠিগুলো থমকে আছে, স্লোগানে ফুটছে নতুন অধিকার।