আজ তোমায় মনে পড়ছে।
তবে যে অসীমে তব রাহ আর ভীষণ দূর্গম।
ভয় হয় সে রাহে পা ফেলে পেয়ে হারাবার,
পারি দেওয়ার মতো সাধ্য নেই তাই।
তবু আছে সাধ আকাশের চাঁদ তোমারে দেখিবার।
তোমার আঁখিঘরে যে গল্পের সূচনা —
আমি করিতে চাই না আর কভু তাহার রচনা।
পেয়ে না পাওয়া বড় নিঠুর যাতনা,
তবু তোমারে ভাবিয়া চলি দিবা-রজনী।
প্রায়শই চোখে শীতলতা বাসা বাঁধে, প্রিয় সজনী —
আবার সে শীতলতা শুকাই মরু হয়ে আসে তোমারে ভাবিয়া ভাবিয়া।
একখানা স্বপ্নছবি — প্রতিচ্ছবি তোমার,
ঘুম ভাঙিয়ে হারিয়ে যায়, মিলিয়ে যায় আবার।
কত রাত্রিপ্রহর চুপিচুপি চিৎকার করে,
সবই শুনি — নিরবে আসে, কানে ভাসে।
রোজই আসে — আজও নিয়মের ব্যতিক্রম নই।
আজ তোমায় ভীষণ মনে পড়ছে, পূর্ণিমার চাঁদ।
আর কর্ণকোণে রাত্রির সেই নিরব চিৎকার,
স্ব অন্তর হতে আসে নিয়ে সহস্র হাহাকার।
অন্ধকাল আসে দিবা হয়ে
তোমার ভাবনার জানালায় দাঁড়িয়ে।
ভাবনার তবু ক্লান্তি নেই-
প্রহরের পর প্রহর চলে যায়,
ফজরের আজান যোহর হয়ে ওঠে — তবু ক্লান্তি নেই।
যত ক্লান্তি সব এখানে — এ শহরে,
যত অভিযোগ সব এখানে — শহরের বিরোধে।
তোমার ভাবনার শহর আর আমার জোড়া চোখ —
ক্লান্তিহীন শ্রমিক,
যার মানসিক শান্তি নেই।
তবে কোনো অভিযোগ নেই — কভু নেই।
তবু যে —
আজ তোমায় ভীষণ মনে পড়ছে।