ফুটি ফুটি শিম ফুল
গাঢ় থেকে হয়ে আসা হালকা বেগুনি—
নিহিলের খুনি।
গান গায় নিঃস্বরা সুরে
গোপন হাওয়ার মধুপুরে।
ধুয়া দেয় তার সাথে প্যাগান রঙের দোহারেরা।
কলহ কোমল তর্করা
তার তলে পড়ে থাকে
যেন হয়ে আশেকে কুসুম,
নিদ্রাহীনতা চোখে গড়ে তোলে রক্তিম দারুল উলুম।
সে ক্ষীণ জিকির—
মুখস্থ করে নেয় দলবেঁধে গোসলের পাঠ।
কুয়াশার পুরো তল্লাট—
বায়বীয় ভূত থেকে দেহয়বে ফেরে পরপর,
স্নানে ঢালে পাপড়ির নরম গতর।
এভাবে শিশির
গড়ে ওঠে পাঠ করে স্নান তদবির।
বুকে ধরে
বৃষ্টির মতো স্বাদ,
অশ্রুর মতো আকৃতি—
তার প্রতিকৃতি
হৃদয় যেটুকু গড়ে
ভেজানোর কৌশলহীন
সেখানে মিহিন
সাদ্দাদ ইট হয়ে নিজেকে স্থাপন করে দেয়
জনশ্রুত স্বর্গের ভিত্তিপ্রস্তরের ন্যায়।
আনে ঘুম—
ঘুম সেই মৌন রাখাল,
আমাদের চেতনার গরুকে যে করে দেখভাল।
কারণ আমরা সেসময়
তন্ময়—
আমাদের সাথে তো থাকি না।
স্বপ্নের ললিপপ চাটিয়ে ভুলিয়ে দেয় ঘৃণা—
স্বপ্নে লুকিয়ে থাকা অদেখার ক্লীব বহুগামী।
শুনেছি ত্রিদিব তার ডামি—
নিপল কামড়ে ধরে বাদুড়ের মতো ঝুলে থাকে
অহেতুকতার সূর্যাস্তের বাঁকে।