ক্ষণিকের সময় অতিক্রমে,
পথে ঘাটে দেখেছি কতজনারে—
নাটক, সিনেমা ও সিরিয়ালে,
পড়েছি কতককে ইতিহাসে,
পাড়ায় পাড়ায় চায়ের দোকানে।
দেখেছি কত মাছ, কত গাছ,
জীবজন্তু, অতি ক্ষুদ্র পোকামাকড়,
হিংস্র পশু, পাখি আর জানোয়ার;
দেখেছি কত ফুল, কত ফল,
কত মেঘে কত বৃষ্টিজল।
জড়িয়েছে কত যুদ্ধে-দ্বন্দ্বে,
বেঁধেছে কত সুর আর ছন্দে,
কেউ কাউরে করেছে মন্ত্রমুগ্ধ,
ক্ষমতা পেয়ে হয়েছে আত্মহারা,
পরাজিতরা হয়েছে দিশেহারা।
আজ কে কোথায় হারিয়ে গেছে!
কেউ লুকিয়েছে কোন অন্ধকারে,
কে রেখেছে কারে মনে?
না অস্তিত্বে, না আছে অনুভবে,
নতুনরা স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।
কাঁচা সড়ক হয়েছে পাকা সড়ক,
পাকা সড়ক হয়েছে মহাসড়ক;
ভবিষ্যতে কী হবে জানি না,
যেইটুকু ভাবি সবই ধারণা—
হয়তো কিছুই মিলবে না।
আমার লড়াই, আমার বড়াই,
আমার অর্জন, আমার বর্জন,
অন্তঃপ্রজাতি থেকে আন্তঃপ্রজাতি—
সুখের সাথে, শোকের সাথে,
নিজের সাথে নিজে।
আছি সময়রেখার কোন বিন্দুতে?
মিলবো কোন অন্ধকার সিন্দুতে?
দেখবো কি শাশ্বত স্নিগ্ধ রূপ?
করতে পারবো কি উপভোগ?
পাবো কি সেই সুযোগ?
নাকি মরবো পচে-গলে,
তীব্র যন্ত্রণা ভোগ করে,
বিষাদের নীল জলে ডুবে,
নাকি সায়ানাইডের বিষে?
আমি ঠিক কীভাবে মারা যাবো?