একটা সম্পর্কহীন সম্পর্ক,
যা কোনো বন্ধন তৈরি করে না;
যে সম্পর্কের কোনো নাম নেই—
শুধু মিশবে প্রাণের সাথে প্রাণে,
থাকবে না কোনো প্রয়োজন।
অপ্রয়োজনের প্রয়োজনে হবে কথা,
থাকবে না অতীতের স্মৃতিকাতরতা,
কিংবা ভবিষ্যতের কোনো দুর্ভাবনা;
ধর্ম, দর্শন কিংবা বিজ্ঞানের আলোচনা,
ব্যক্তি, সমাজ, সরকারের সমালোচনা।
এমন একটা পিচঢালা রাস্তা,
যেটার কোনো মঞ্জিল নাই,
পথিকের কোনো গন্তব্য নাই;
থাকবে না নীড়ে ফেরার টান,
ছুটব এক প্রাণ থেকে আরেক প্রাণ।
একটা বর্ষণমুখর শ্রাবণের রাত,
যার কোনো পরিকল্পনা নেই;
জেগে থাকার কোনো মানে নেই,
আবার ঘুমানোরও তাড়া নেই—
উদ্দেশ্যহীন ছন্দে ভেসে থাকা।
যখন অন্তিম সময় আসে,
ডানা থাকলেও ওড়া যায় না,
হুল থাকলেও ফোটানো যায় না;
জমানো বিষ কাজে লাগে না,
থাকে শুধু অসহনীয় যন্ত্রণা।
পূর্বনির্ধারিত নিয়তির অনুকরণে,
সময়রেখার প্রতি বিন্দু হিসাব করে;
ঢেউয়ের পর ঢেউ আসে তাল মিলিয়ে—
উত্থানের পর পতন, জোয়ারের পর ভাটা,
ভেস্তে যায় যত আছে সব পরিকল্পনা।