আর বড়জোর বাঁচতে পারি কিছুক্ষণ?
হয়তো কিছুদিন? কিবা পঞ্চাশ—একশ বছর?
এক হাজার বছর বাঁচা কি সম্ভব?
তারপর? একদিন নিশ্চিহ্ন হবে এ দরবার? ঐ হাটবাজার?
কোথায় ঠিকানা? হিসাবের খাতায় বারবার শূন্য
জীবনমাঠে ধেয়ে আসছে আঁধার! রাজনীতির মাঠে চলছে এখনো নৃত্য?
মৃত্যুর ডাক শোনা যাচ্ছে না কোলাহলে
আনন্দে মাতোয়ারা আজও দেশ—দশ—পৃথিবী!
ভাবছে কি কেউ কালকের কথা? বুঝছে কি কেউ?
এমাত্র খবর পেলাম কানপেতে—বাতাসে—সময় খুব সন্নিকটে—
এক হাজার বছরের সীমানা যদি হয় পৃথিবীর আয়ু?
চোখের পলকে শেষ হতে পারে না পঞ্চাশ হাজার বছর?
এই নদীপাড়ের ঠিকানা—মর্ত্যবাসের জিন্দেগি—
ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে চলেছে? মিলিয়ে যাবে দিগন্তে?
পৃথিবীর গতি কী হবে? চিন্তা কি করছে কোনো চিন্তক? প্রগতিশীল কেউ?
হাজার হাজার গবেষণায় ওঠে আসছে হাজার হাজার তথ্যমত!
আমার কবরে না চড়াক কেউ একটি গোলাপ কিবা একগুচ্ছ রক্তকুসুম
তবু চিন্তাশীল—পরবর্তী প্রজন্ম আর প্রজন্মের জন্যে চিন্তা করছি
এক...দশ...পঞ্চাশ...লক্ষ বছর পরে কি বিলুপ্ত হবে মানবজাতি?
দুনিয়ার বেগতি—আমরাই গুটাচ্ছি—ঈশ্বরও গুটিয়ে নেবে দপ্তর!
জলবায়ু পরিবর্তন, পারমাণবিক যুদ্ধ, অনিয়ন্ত্রিত দূষণ,
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর মহামারী, উল্কাপিণ্ড, আগ্নেয়গিরি, সূর্যের মৃত্যু,
চৌম্বক ক্ষেত্রের পতন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়...ঈশ্বরও বলেছেন—কেয়ামত নিশ্চিত
তোমরাও বলছ...আমরাও দেখছি আলামত—পৃথিবীর ধ্বংস সুনিশ্চিত?