রোজ প্রাক্তন দেখি শাড়ি পরে স্কুল গেটে দাঁড়িয়ে,
কেজি পড়ুয়া মেয়েকে বিদায় জানায় হাত নাড়িয়ে।
এরপর অফিস বাসে ছুটে নিজের কর্মস্থলে,
হয়তো কাজের ব্যস্ততায় অতীত গেছে ভুলে।
একদিন সাহস করে সামনে দাঁড়িয়ে বলি,
"আপনি ঢাবির বাংলায় অনার্স পড়ুয়া জলী?
প্রতিদিন স্কুল গেটে দেখি কেমন চেনা লাগে।"
স্মিত হেসে উত্তর-
“এখনো প্রেয়সী দেখে মনে প্রেম জাগে। পালালে তবে কোন অভিমান দুঃখ রাগে।"
অভয় দিলে বলি-
সেদিন তোমার আসার অপেক্ষায় হাজী আলীর গলি,
তোমার বাবার ‘পোষা কুকুরের’ তারা খেয়ে পালিয়ে প্রাণের ভয়ে,
শহর ছেড়ে আশ্রিত নিভৃত এক শহরতলী,
তবু তোমায় ভুলতে পেরেছি কি প্রিয় জলি!
জলীর প্রশ্ন, তারপরে..
তোমার অপেক্ষা শেষে,দু'বছর পর বিয়ে করে
সরকারি চাকুরি সুবাঁধে থিতু ঢাকার মিরপুরে।
জলি বিস্মিত চোখে বলে,
তুমি কি সেই হেড অফিসের প্রভাবশালী অফিসার?
যার দলীয় পরিচয়ে ঊর্ধ্বস্তন কর্মকর্তা ও বলে- স্যার স্যার!