কি ২০২৬ সালের ২৯ আগস্ট। দেখতে দেখতে প্রায় দুটি বছর চলে গিয়েছে। একটা সময় দেখা যাবে চোখের পলকে ধরে যায় ২০২৬ শেষে ২০২৭ চলে এসেছে। ঠিক তেমনি ২০২৪ ও চলে গিয়েছিল চোখের পলকে। কিন্তু, এই ২০২৪ অজস্র স্মৃতি রেখে গিয়েছিল বাংলা ইতিহাসে। এই সালটিতে যেন বাঙালিরা পেয়েছে একটি নতুন স্বাধীনতার মুখ। এই বছরটিতে ঘটে গিয়েছিল অনেক জানা-অজানা ঘটনা।
বছরের প্রথম দিকে অনুষ্ঠিত হয়েছিল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আমার দৃষ্টিকোণ থেকে, অন্যান্য দেশে নির্বাচন হলে জনগণ নিজের ভালো-মন্দ দেখার পর যেকোনো একজনকে তাদের নেতা হিসেবে বেছে নেয়। তবে এ দেশে তার উল্টোটা হয়। যাই হোক,গত বছরও সেই বিশাল জোঁকবাহিনীর বিজয় হয়েছিল।
এরা হলো সেই জোঁকবাহিনীর যারা ১৫ টি বছর ধরে কোটি কোটি মানুষের রক্ত চুষে খেয়েছে । গতবারও তারা মানুষের রক্ত খাওয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত রেখেছিল। কিন্তু কারাই বা জানতো যে এই জোঁক বাবা জীবনদের এটাই শেষ বিজয়। এই জোঁকবাহিনী টার বেশ সুনাম ছিল দেশে-বিদেশে। অন্য দেশরা হয়তো ভেবেছিল এই জোঁকবাহিনী আমাদের এই দেশকে উন্নত করে তুলবে। ভিনদেশীরা জানতো না এই জোঁকবাহিনীটা ছিল বাইরে ফিটফাট; ভিতরে সদরঘাট। তারা বিজয়ী হওয়ার পর উন্নয়নের নামে বিভিন্ন অপকর্ম করতে থাকে। তারা আবারো বাঙ্গালীদের উপর জুলুম করতে শুরু করে। এভাবে কিছু মাস কেটে যাওয়ার পর জুন-জুলাই মাস থেকে দেখা যায় ১৯৭১ এর প্রতিচ্ছবি। শুরু হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
এটি “কোটা আন্দোলন ” নামে পরিচিত ছিল। বাংলার অদম্য ছেলে - মেয়েরা নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমেছিল। তবে আন্দোলনের প্রধান বিষয় ছিল “কোটা পদ্ধতি ”। কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে অনেক অযোগ্য শিক্ষার্থী যোগ্যের পাত্র হয়। আর যারা যোগ্য তাদেরকে দূরে ঠেলে দেওয়া হয়। এই কোটা পদ্ধতি একটি অভিশাপ, যার যোগ্য এবং অযোগ্য এর মধ্যে মিশ্রণ ঘটিয়ে ফেলে। এতে করে আমাদের দেশের প্রতি অনেক বড় প্রভাব পড়ে। (চলবে)