রিয়া মুচকি হেসে বলল, আজ আমি সাজতে গিয়ে বুদ্ধি করে তাবিজটা খুলে ফেলেছি। ওটা থাকলে রাসেল আসতে পারে না।
মুখ ঝলসানো, চোখ কোঠর থেকে বের হওয়া, নাক মুখ থেকে রক্ত পরছে, শরীর গোস খশে খশে পরছে অবয়বটার। ঘড়ঘড়ে গলায় ঘ্যাড়ঘ্যাড় করে হেসে বলল, জী আমি রাসেল। তো শিবলু ভাই রিয়ার আগের বিয়ে গুলোতে কোন বর বাসর ঘর পর্যন্ত আসেনি। তার আগেই সব গুলোকে খালাস করেছি। আপনার ভাগ্য ভালো না খারাপ বুঝতেছি না।
শিবলু শুধু বসে বসে ওদের কথা শুনছে আর থরথর করে কাঁপছে। নড়াচড়ার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে।
পরের দিন সকালে রিয়া কাঁদতে কাঁদতে ঘর থেকে বের হল। নতুন স্বামী রাতে কিভাবে আর কখন মারা গেছে সে জানে না। ঘুম থেকে উঠে দেখে স্বামীর মৃত দেহ ওর পাশে পড়ে আছে।
গল্পঃ রিয়ার বাসর রাত