আসমানের সাথে চোখাচোখি হলে চোখ নামিয়ে
আবার সলজ্জ ভঙ্গীতে হেঁটে যান একলা বাউল।
পার্থিবে কেউ তাকে বলে দেয়নি, ঠিকানার পর
কি থাকে? মানুষ ঠিকানায় পৌছে কোথায় যায়?
একলা বাউল ঠিকানা ছেড়েছেন গন্তব্যের আশায়;
যেখানে মানুষ বাঁচে ঐশ্বরিক নিবিষ্ট ভালোবাসায়।
একদিন গন্তব্যে পৌঁছাবেন, আত্মার মুক্তি ঘটবে।
সেদিন পার্থিবের সমাপ্তি ঘটবে বলে রটবে।
সেখানে মানুষ থাকবে না, থাকবে মানুষের আয়না।
পথের দিশা যে পায়, সে আর কখনো পার্থিব চায় না।
ভয়ে ভয়ে আবার আসমান দেখেন একলা বাউল।
দৃষ্টির পরিসীমা পেরিয়ে চোখে কেবল অসীম শূন্যতা।
একদিন গন্তব্যের কথা লেখা হবে ঐ আসমানে,
বাউলের একতারায় সুর বাঁধে গন্তব্যের অশরীরি সুর।
বাউল জানেন, তার গন্তব্য এইতো কাছেই, নয় বহুদূর।
(কবিতাটি আমার আজ আকাশকে বলে দেওয়া যায় কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত)