রন্জনা এই রন্জনা
উঠ হতচারী মাটারে তো খাইলি এখন আমার জ্বালা....
এই কথা বলেই তার সৎ মা তাকে গালি দিতে থাকলো।
রন্জনা : মা কাল রাতে আমার ঘা কেপেঁ জ্বর উঠলো সারা রাত ঘুমাইতে পারি নি মা।
সৎ মা : চুপ কর হারামজাদি অপয়া... তোর এই কালো মুখে মা বলবি না আমারে।
এতো বেলা করে ঘুমায়া আচত বাড়ির কাজ কে করবে তোর মরা মা
রন্জনা : আমার মরা মা নিয়ে কথা বলবে না মা
সৎ মা : কইনে কী করবি তুই। তোর এত্ত বড় সাহস আমার মুখে মুখে তর্ক করস।
এই কথা বলে রন্জনা চুল ধরে টানতে টানতে তার মা থাকে ঘর থেকে বাইরে উঠানে ফেলে দুই তিনটা লাথি মারলো। দৌড়ে এলো তার বাবা
বাবা : কী কী হয়ছে টা কী, আমার মা মরা মেয়েকে মারছো কেন।
সৎ মা : বাবা! এত্ত দরত কই হামার বেডিদের লাই তো এমন দরত দেখি না?
বাবা: তুই তো দরত দেখবি না। জানোয়ার।
সৎ মা : কি কয়লেন আপনি কি কয়লেন। আইজ হামার বেটিরে লইয়া আমি বাড়ি ছাড়মু
রন্জনা : এই কথা বলিয়েন না মা। মা কেমন তা আমি জানি না। আপনি এখন আমার মা। আমি এখনি বাড়ির সব কাজ করতেছি মা
এই কথা শুনে রঞ্জনার সৎ মা মুখ বেঞ্চিয়ে ঘরে চলে গেলো
এটা গল্পের প্রথম পার্ট বাকী পার্ট পড়তে ফলো দিয়ে পাশে থাকার অনুরোধ রইলো। গল্প পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। গল্প ভালো লাগলে লাইক দিতে কমেন্ট করতে ভুলবেন না 🌷