Fiction

অভাগীর মা

September 29, 2026

Original Author জান্নাতুল ফেরদাউস

Translated by জান্নাতুল ফেরদাউস

18 views

পাট :২

রঞ্জনার সৎ মা মুখ বেঞ্চিয়ে চলে যাওয়ার পরে.....

রঞ্জনা বাড়ির সব কাজ করেন। বাড়ীর উঠান ঝাড়ু দেওয়া রান্না করা ইত্যাদি সব কাজ শেষ করে সে যাবে বিদ্যালয়

রঞ্জনা : মা আমি বাড়ির কাজ শেষ করেছি, আমি ভাত খেয়ে এখন স্কুলে যাই...।

সৎ মা : তুই হড়া লেহা করে করবি কী। হয়ছিস তো দেমরী একটা। কিছুই তো পারস না

রঞ্জনা : মাথা নিচু করে রইল। আর মনে মনে বললো,হ্যা ঠিক তো আমি তো কিছু ই পারি না

রঞ্জনা মন খারাপ করে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য রওনা হলো পাশে দিয়ে নদী ভয়ে চলছে রাস্তায় হঠাৎ তার সাথে হলো সৈকতের সাথে সৈকতই তাকে সবার চেয়ে আলাদা দেখে। সৈকত হলো গ্রামের একজন মধ্য ধনীর ছেলে। সৈকতের মা রঞ্জনাকে স্নেহ করতেন কিন্তু সৈকতের বাবা ছিলো অহংকারী

সৈকত দৌড়াতে দৌড়াতে রঞ্জনাকে ডাকতে থাকে।

সৈকত : রঞ্জনা, এই রঞ্জনা থাম, কী হয়লো তোর।

রঞ্জনা : শুনি নাই, কী বলবি বল।

সৈকত : কী হলো তোর? কান্দোস কেন।

রঞ্জনা : আমার ভাগ্য খারাপ আমার মা নেই। বাপ থেকেও নেই আর কত দিন এই কষ্ট ভোগ করব এরপরে পড়া লিখা ও পারি না। আমি এতো গধব কেন?”

“আমি কি সত্যিই কিছুই পারি না?” ( কান্না করতে করতে বললো )

সৈকত রঞ্জনাকে মুখ মুছে বল্লো আর কিছু দিন দেখবি তোর ভালো হবে

এই কথা বলতে বলতে তারা বিদ্যালয়ে পৌছালো।

বিদ্যালয় থেকে আবার একসাথে বাড়িতে ফিরে তারা

সৈকত : চল, আমাদের বাড়ি মা আজকে ইলিশ রান্না করছে তুই চল এক সাথে খাব।

রঞ্জনা : না, না তোর বাবা ( চোখ বড় বড় করে বল্লো )

সৈকত : দূর, বাবা কিচ্ছু বলবে না, মা তো আছেই

সৈকত জোর করে রঞ। জোর করে তাকে বাড়িতে নিয়ে গেলো

রঞ্জনা কে দেখে সৈকতের মা বেশ খুশি লাগে সৈকতের কোন বোন না থাকায় রঞ্জনা কে সৈকতের মা বেশ আদর করেন

সৈকত : মা, জোর করে নিয়ে আসেছি, ভালো করছি না।

সৈকতের মা : হ্যা, বেশ ভালো করলি। যা দুইজন হাত মুখ ধুয়ে আয় খেতে দি।

রঞ্জনাকে দেখে সৈকতের বাবা বলে উঠলো ঐ যে রফিকের মেয়ে না। এখানে কেন রেগে বললো। এর কালো মুখ খানি দেখলেই আমার বিরিয়ানি লাগে তার উপর গরিবের বাচ্ছা

সৈকতের মা বললো চুপ করো বাচ্ছা মেয়ে শুনবে। আর সবই সৃষ্টি কর্তার বিধান তার কোন হাত আছে।“গরিবের মেয়ে বলে কি তার কোনো মূল্য নেই?”“কালো মুখ নয়, মনটাই আসল”

সৈকতের বাবা বল্লো এরপরে ওর এই বাড়িতে আসা আমি বন্ধ করছি

সৈকতের মা : রঞ্জনা, আর একটা মাছ দি তোকে। চেহারার একে অবস্থা

রঞ্জনা : আমার আর চেহারা দিয়ে কী হবে ( মনে কষ্ট নিয়ে বল্লো)

সৈকতের মা : এসব বলতে নেই তুই আমার মায়াবি মেয়ে ( হেসে হেসে বল্লো)

গল্পের আরো পার্ট আসবে ইনশাআল্লাহ

Picked up where you left off

Comments

Be this story’s first reader

+40 XP

Nobody has commented yet. Sign in, read it, and be first with a thoughtful comment to earn the bonus.

Sign in to claim

    Please login to post comment. Login