১
ওসমান নৌকা নিয়ে চুপচাপ বসে আছে। আজ সারাদিন কোন লোকজন আসেনি ঘাটে। এলাকায় পাকিস্তানি আর্মি চলে এসেছে। তাই আতংকে কেউ বাড়ি ঘর হতে বের হচ্ছে না। খেয়া ঘাটে আসা তো রীতিমতো দুঃসাহসের কাজ। কারণ ঘাটের পাশের থানা ভবনটাই এখন পাকিস্তানি আর্মির ক্যাম্প।
এখানেই ক্যাম্প হওয়ায় বাজারের লোকজন ঘাটের দিকে এগোচ্ছে না। সারাদিন অলস বসে
থাকতে থাকতে ওসমানের মাথায় কেবল একটাই চিন্তা, এই পাকিস্তানিরা কবে এখান হতে যাবে! নদী পার হবার জন্যে লোক না এলে তো ওসমানের খোরাকিতেও টান পড়ে। বাড়িতে বৃদ্ধা মা। আর কেউ নেই।
কয়েক বছর ধরে এই খেয়া পারাপারের কাজই করে আসছে ওসমান। ছোটবেলায় স্কুলে পড়েছে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত। বাবা আচমকা মরে যাওয়ায় লেখাপড়া আর এগোয়নি। বাড়িতে থেকেছে। মা এবাড়ি ওবাড়ি মানুষের ফুটফরমায়েশ খেটে তাকে খাইয়েছে। পাশাপাশি এই ঘাটে ওসমান খেয়া পারের কাজ শুরু করেছে। মায়ের এক জোড়া কানের দুল বিক্রির টাকা আর মায়ের কিছু সঞ্চিত টাকা দিয়ে পুরনো এ নৌকাটা কিনে নিয়েছে ওসমান।
সারাদিন নদী এপার ওপার করে যা আয় হতো, এটি দিয়ে তাদের মা ছেলের সংসার চলে যেতো। কিন্তু গত দুই সপ্তাহ আগে পাকিস্তানিরা এখানে ক্যাম্প করার পর এখন ওসমানের পেটে টান পড়েছে।
থানার পাশে বাজার, বাজারে লোকজন এখন কম আসে। সদাই বিক্রির জন্যেও লোক আসে
না। পাকিস্তানিরা এসেই এলাকায় যে পরিমান লুটতরাজ চালিয়েছে, তাতেই সবার মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। ওসমানদের গ্রামের কিছু কিছু যুবক পাকিস্তানিদের সাথে হাত মিলিয়েছে। তারা ইসলামের সেবা করছে বলে তারা এখনো দিন রাতে মানুষের ঘরবাড়িতে লুটপাট করে বেড়াচ্ছে। এরা সব ছিলো গ্রামের বখাটে ছেলে। এদের মধ্যে কয়েকজন আছে, যারা ওসমানের সাথে একসাথেই স্কুলে পড়তো। তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু রমজানও ওদের কাছে নাম লিখিয়েছে। ওসমানকেও বলেছে। ওসমান এখনো ঠিক করতে পারছে না কি করবে।
বিভিন্ন মানুষের কাছেই শুনেছে, মুক্তিবাহিনীর ছেলেরা বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানিদের উপর চড়াও হচ্ছে। মুক্তিবাহিনীর ছেলেরা যেমন মারা যাচ্ছে, তেমনি পাকিস্তানিরাও মরছে। রাজাকারগুলোই সবচেয়ে বেশী সমস্যা তৈরী করছে। সাধারণভাবে এদেরকে চেনা যায় না, নিরীহ গ্রামবাসী চেহারা নিয়ে এরা আশেপাশে ঘুরাঘুরি করে, তাই এখন লোকজন একটু খোলামনে কথা বলবে সে সাহসটুকুও হারিয়ে ফেলেছে। চারপাশের লোকজনের মধ্যে কে যে পাকিস্তানিদের ইনফর্মার, বোঝা মুশকিল। তবে ওসমান এ এলাকায় কারা কারা রাজাকারদের দলে নাম লিখিয়েছে, তাদের সবাইকে চেনে। কারণ শুধুমাত্র এরাই পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে যাওয়া আসা করে। এরা সাধারণত রাস্তা পরিহার করে চলাচল করে, কারণ ওরাও নিজেদেরকে ততোটা প্রকাশ্যে আনতে চায় না। এজন্য স্থানীয় রাজাকারদের অধিকাংশই নৌকা দিয়ে ক্যাম্পে আসে। রাজাকারদের মধ্যে কয়েকজন ওসমানের স্কুল সহপাঠি বলে তারা ওসমানের নৌকা ব্যবহার করে। আর ওসমান একজন নিরীহ মাঝি বিধায় নৌকায় তাদের আলোচনাতেও তারা কোনো রাখঢাক রাখে না। গত দুই সপ্তাহে এদের সবাইকে ওসমান এখন চিনে ফেলেছে।
থানার ঘাটে চুপ করে বসে আছে। আজ রোদটা খুব কড়া। সে নৌকা হতে নেমে ঘাটের পাশের আমগাছের নিচে চুপ করে বসে আছে। এই আমগাছের গোড়াতেই পাকিস্তানিরা একটা পোষ্ট নিয়েছে। তিনপাশে বালুর বস্তা বসিয়ে এক বুক উঁচু করেছে। চারপাশে খুঁটি দিয়ে উপরে তিনটা টিন লাগিয়েছে ওরা। এই পোষ্টে একটা এল এম জি নিয়ে ওরা ডিউটি করে। প্রতিদিন দেখতে দেখতে ক্যাম্পের পাকিস্তানি সৈনিকগুলো ওসমানকে বিশেষ সন্দেহ করে না।
এখনো করলো না। পোষ্টের পাশেই ওসমান বসে রইলো।
২
ওসমান প্রতিদিন ভাবে তাদের এখানে কেন মুক্তিযোদ্ধারা আসে না! ওরা আসলে এই পাকিস্তানিদের তাড়িয়ে দেয়া যেতো। এরা মানুষ না, জানোয়ার। ওসমানদের গ্রাম হতে ৪টা মেয়েকে ধরে নিয়ে এসেছে ওরা তাদের ক্যাম্পে। যেদিন নিয়ে এসেছে, সেদিনের পর থেকে ক্যাম্পের পাশের ঘাটটাতে যেতে ওর ভয় লাগে। ওসমান মনে মনে আল্লাহকে ডাকে।
আল্লাহ নিশ্চয়ই তার ডাক শুনবেন। গভীর বিশ্বাসে ওসমান নদীর এপার হতে ওপারে ক্যাম্পের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দোয়া দরুদ পড়ে। বাড়িতেও ওসমানের ভালো লাগে না। বুকের ভেতরটায় অস্থির অস্থির লাগে। সে ঠিকই বুঝতে পারে, কি পরিমান অত্যাচার চলছে ক্যাম্পে ওই মেয়েগুলোর উপর।
রাতে ঘুমুতে যাবার আগে মনে মনে ভাবতে থাকে, আজ রাতে যদি মুক্তিযোদ্ধারা এখানে চলে আসে, তবে খুব ভালো হতো। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেছে। আজ আর খেয়াঘাটে কেউ আসবে না। থানাঘাট হতে নৌকা নিয়ে নিজের বাড়ির ঘাটের দিকে রওনা হলো ওসমান। রাতের বেলা নদীতে নৌকা নিয়ে চলাচলে সমস্যা আছে। নদীতে রাতের বেলা নৌকা চললে থানাঘাটের এল এম জি পোষ্ট হতে গুলি
ছোঁড়ে। সন্ধ্যা হয়ে এলেও এখনো কিছুটা আলো আছে। এ আলো থাকতে থাকতেই চলে যায় ওসমান প্রতিদিন।
বাড়ির পাশের ঘাটে পৌছাতে পৌছাতে চারদিক অন্ধকার হয়ে এলো। ওসমান নৌকাটাকে কিনারে নিয়েভালো করে বেঁধে নিলো। অন্ধকারে তার চোখ সয়ে এসেছে। চোখের কিনারে ঘাটের পাশে দুজন লোককে দেখতে পেলো ওসমান। লোক দুজন তার দিকেই এগিয়ে আসছে। ওসমান মনে মনে একটু সতর্ক হয়ে গেলো। এরা কারা? তার পরিচিত কেউ হলেতো তার নাম ধরেই ডাক দিতো। লোক দুজন সামনে এসে তার মুখোমুখি দাঁড়াতেই ওসমানের বুকটা ধ্বক করে উঠলো। ওসমান নিঃশব্দে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলো। লোক দুজনের মধ্যে একজন তাকে উদ্যেশ্য করে চাপা গলায় বলল,
ভয়ের কিছু নেই। আমরা মুক্তিযোদ্ধা। তুমি পাকিস্তানিদের ক্যাম্পের ঘাটে থাকো সারাদিন। তাই তোমার সাথে কথা বলতে এসেছি।
ওসমানের দেহে যেন প্রান ফিরে এলো। ওসমান বলল,
বলুন, কি জানতে চান? কথাটা বলতে বলতে ওসমানের মনে হলো, আল্লাহ তার কথা শুনেছেন। আল্লাহ এই গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এসেছেন। ওসমান আবার বলল, বলুন, কি কি জানতে চান আপনারা?
কথাটা বলেই ওসমান বলল, এখানে না। আসুন এইদিকে আসুন বলে ঘাট হতে পূর্বদিকে ঝোপের দিকে দেখালো। এখানে যখন তখন যে কেউ চলে আসতে পারে। আসুন, আমার সাথে আসুন; বলে ওসমান সামনে এগোতে লাগলো। মুক্তিযোদ্ধা দুজন চুপচাপ কথা না বলে তাকে অনুসরণ করতে লাগলো।
ঝোপের পাশে একটা ছোট বাঁশের মাচামতো বানানো আছে। দিনের বেলা মাঝে মাঝে লোকজন এসে ওখানে গল্পগুজব করে। পাকিস্তানিরা এলাকায় আসার পর এখানে লোকজনের আড্ডা কমে গেছে। ওসমান মুক্তিযোদ্ধা দুজনকে নিয়ে এসে মাচায় বসলো। বসেই ওদের দুজনই একসাথে জিজ্ঞেস করে বসলো,
এই ক্যাম্পে কতোজন আর্মি আছে?
কথাটা শুনেই ওসমান গলা খাঁকারি দিয়ে বলা শুরু করলো।
৩
মুক্তিযোদ্ধা দুজন কথা বলে চলে যাবার পর তিন দিন পেরিয়ে গেছে। ওসমান প্রতিদিন ভাবে আজ রাতেই বুঝি মুক্তিযোদ্ধারা থানা ক্যাম্পে আক্রমন করবে। তিন দিন চলে যাবার পর ওসমান মনে মনে হতাশ হয়ে গেলো। তার মাথায় কেবল একটাই চিন্তা, পাকিস্তানিগুলো মরে যাক। তাদের এলাকায় এদের জুলুম বন্ধ হোক, খুন খারাবী বন্ধ হোক, ক্যাম্পে বন্দি মেয়েগুলো মুক্তি পাক।
দুপুর বেলা। ক্যাম্পের ঘাটে নৌকা বেঁধে ওসমান থানার পাশের রাস্তা দিয়ে বাজারের দিকে হেঁটে চলল। বাজারের হোটেলে এসময়টায় সে চা খায়। চা খেলে ক্ষুধা মরে যায় বলে, দুপুর বেলা চা খেয়ে নেয়। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে ভাত খেয়ে নেয়। হোটেলে চা খেতে বসতেই তার টেবিলেই দুজন লোক এসে বসলো। ওসমান ভালো করে দেখলো, লোক দুজন এখানে নতুন। বহুদিন ধরে খেয়াঘাটে মাঝি হিসেবে কাজ করে আসায় এলাকার মোটামুটি সকল লোককেই সে চেনে। লোক দুজনও চা চাইলো। ওসমান মনে মনে একটু সতর্ক হয়ে ধীরে ধীরে চায়ে চুমুক দিতে লাগলো। লোক দুজনের সামনে চা এসে গেলো।
তারাও ধীরে ধীরে চায়ে চুমুক দিতে লাগলো। ওদের চায়ে চুমুকের ধরণ দেখেই ওসমানের মনে হলো, এরা তাকে কিছু বলতে চায়।
ওসমান চুপচাপ দুজনের দিকে তাকালো। টেবিলের অন্যপাশের দুজনের চোখেই সতর্ক দৃষ্টি। চা খেয়ে শেষ করে উঠে যাবার সময় একজন প্রায় ফিসফিসিয়ে বলল,
রাত বারটার পর ঘাটে থাইকেন। আমরা থানায় আসবো। গোলাগুলি শেষ হলেই থানাঘাটে চলে আসবেন। কাজ আছে।
কথাটা শুনেই ওসমানের সারা শরীরে যেন রক্ত ছলকে উঠলো। হোটেল হতে বেরিয়ে ওসমানের মনে হলো, সে বোধহয় হাঁটছে না, যেন উড়ছে। নিজেকে যথাসম্ভব স্বাভাবিক রেখে নৌকার কাছে ফিরে এলো। তারপর প্রতিদিনের মতো নৌকায় অলস ভাবে বসে রইলো ওসমান। আজ আর তার সময় যেতে চাচ্ছে না, সময়টা যেন থমকে গেছে। ওসমান বসে বসে অপেক্ষা করছে কখন সন্ধ্যা হবে, কখন বাড়ি যাবে? বাড়ি গিয়ে আবার রাত বারটার দিকে বেরোবে। নৌকা নিয়ে ঘাটে অপেক্ষা করতে হবে। থানাঘাটে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে গোলাগুলির শেষেই তাকে থানাঘাটের দিকে এগোতে হবে তখন। ওসমান মনে মনে এসব ভাবছে আর বসে বসে ঘামছে।
৪
রাতে খাওয়াদাওয়া শেষ করে ঘরের দাওয়ায় চুপ করে বসে আছে ওসমান। মা এসে দুবার ডাকলো ঘুমানোর জন্য। দ্বিতীয়বার মা ডাকতেই ওসমান উঠে গিয়ে মায়ের কাছে গিয়ে বলল,
মা, আজ আর ডেকো না। আজ রাতে একটা কাজ আছে।
ওসমানের কথার আওয়াজেই ওসমানের মা বুঝে নিলেন, আজ রাতে কিছু একটা হতে যাচ্ছে।
তিনি আর কিছু না বলে ঘরের ভেতর গিয়ে শুয়ে পড়লেন।
ওসমান বসে বসে অধীরভাবে অপেক্ষা করতে লাগলো। এখনো তার সময় কাটছে না।
চারপাশে চোখ বুলিয়ে কি মনে করে বেড়ার আড়ায় গুঁজে রাখা দা টা নিয়ে নিলো। দাটা হাতে নিয়ে চুপ করে বসে রইলো। মনে মনে অনেক কিছু ভাবছে সে। রাত এগারটার দিকে চুপচাপ বেরিয়ে পড়লো ওসমান। এক হাতে দা, আরেক হাতে বৈঠা।
আজ চাঁদ উঠেছে। নদীর অনেকদূর পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। ঘাটে এসে নৌকার রশিটা খুলে নৌকায় চুপ করে বসে রইলো। বারটা বাজতেই নদীর ওপারে যেন আকাশ ভেংগে পড়লো। প্রচন্ড শব্দে গোলাগুলি শুরু হলো। ওসমান চুপচাপ বৈঠা বাওয়া শুরু করল। ধীরে ধীরে নদীর ওপারে থানাঘাটের দিকে এগোতে লাগলো। নদীর মাঝবরাবর এগোতেই গোলাগুলি থেমে গেলো।
কিছুদূর এগোতেই সে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমনের ধারাটা বুঝে ফেলল। মুক্তিযোদ্ধারা ইচ্ছা করেই নদীর দিকটা খালি রেখে আক্রমন করেছে। পাকিস্তানি আর্মিরা মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমনের মুখে দিশাহারা হয়ে নদীতে ঝাঁপ দিচ্ছে। কেউ কেউ সাঁতরানোর চেষ্টা করছে। ওসমান দ্রুত বৈঠা বেয়ে এগোতে লাগলো।
ঘাটের কাছা কাছি গিয়েই ওসমান দেখতে পেলো, পাকিস্তানি আর্মির কয়েকজন পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে। কেউ একজন নৌকা ধরে বাঁচতে চাইলো। ওসমান শরীরের সব শক্তি দিয়ে বৈঠা দিয়ে সে হাতে আঘাত করলো। হাত সমেত মানুষটা তলিয়ে গেলো। কিছুদুর যেতেই আরেকজন দুই হাতে নৌকা ধরে মাথা উঁচু করলো। বৈঠাটা একপাশে রেখে দাটা দিয়ে পাকিস্তানিটার মাথা বরাবর একটা কোপ বসালো। সে লোকটাও তলিয়ে গেলো নদীতে।
এরপর আরো একজনকে দা দিয়ে কোপ দিলো ওসমান। সে বুঝতে পেরেছে আর যারা প্রাণের ভয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলো, তারা সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে গেছে। এরপর আর কাউকে দেখতে না পেয়ে আস্তে আস্তে ঘাটে নৌকা ভেড়ালো সে। মুক্তিযোদ্ধা দলটার কমান্ডার সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি এগিয়ে এসে ওসমানের দু হাত ধরে বললেন,
তুমিই তো তিনজনকে খতম করলে। সাবাস! একেই বলে বীর বাংগালী। জয় বাংলা।
কমান্ডার জয় বাংলা বলে চিৎকার করতেই উপস্থিত অন্য মুক্তিযোদ্ধারাও সমস্বরে বলে উঠলো, জয় বাংলা। ওসমানও একসাথেই বলে উঠেছে, জয় বাংলা।
ওসমান তখনো উত্তেজনায় রীতিমতো কাঁপছে। কমান্ডার তাকে আবার বললো, আর কেউ নাই ওসমান। এবার ঠান্ডা হও। সব শেষ।
ওসমানের সারা শরীরে একটা অন্যরকম অনুভূতি। অসম্ভব দীপ্ত কন্ঠে সে কমান্ডারকে বলল, আমি আপনাদের সাথে যুদ্ধে যাবো।
(গল্পটি আমার লেখা ভুবনের একটা চাকরি দরকার - গল্পগ্রন্থ থেকে নেয়া)