মার্কা এল, পোস্টার এল, সঙ্গে এল হাসি,
পাঁচটি বছর পর বলল সে, পাবলিক ভালোবাসি।
ধূলিমলিন গলির মুখে নেতার আজ পদধূলি,
আজকে তার বড্ড আপন খেটে খাওয়া কুলি।
হাতটি জোড় করে বলেন, ভাই রে আমার শোনো,
আমার মতো দরদী লোক দেখছ কখনো?
একটি সিলের বদলে আমি এনে দেব সুদিন,
দুধে ভাতে ভাসবে সবাই, থাকবে না আর ঋণ।
রাস্তা হবে মাখনের যেন, মশা যাবে পালিয়ে,
বিদ্যুৎ আর যাবেই না আর, বাতি রাখবে জ্বালিয়ে!
চা দোকানে চলবে আলোচনা, কলিজা আছে নেতার!
নেতা বলেন, এলাকার সব লোক খুবই আপন যে তার।
ভোটটা হলো, সিলটা পড়ল, জিতল নেতা হাসিমুখে,
ভোটারদের সে কী তেজ, তাদেরকে আজ কে রোখে?
সে পথ দিয়ে নেতার গাড়ি ধুলো উড়িয়ে যায়,
কাঁচের ভেতর চশমা পরা নেতা কারে বা চায়?
সালাম দিলে মুখ ফিরিয়ে তাকায় অন্য পানে,
চেনার উপায় নেই সে এখন বড়ই উচ্চস্থানে!
ভোটার ভাবে, প্রতিশ্রুতি গেল কোন চুলোয়?
ইশতেহারের পাতাগুলো ঢেকে গেছে ধুলোয়।
পাঁচ বছর পার হলে সে আসবে গ্রামে আবার,
নিয়ে আসবে নগদ টাকা আর দারুণ দারুণ খাবার।
পাবলিক তখন ভুলবে সব, বলবে নেতা ফাইন,
এই নেতাকেই তুলবে মাথায়, নেতার কথাই আইন।
নেতার টাকায় কদিন খাবে বিরানি আর কাচ্চি,
হাসিমুখে বলবে তারা, নেতার টাকায় খাচ্ছি।
সারাজীবন এমনই করে ভোটের খেলা চলবে,
নেতা কেমন, বুঝবে না কেউ, টাকাই কথা বলবে।
Comments
First reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.
-
-
আসলেইতো সব টাকার খেলা। ভোট মানেই টাকার জোর। খুব ভালো হয়েছে কবিতাটি।