পরদিন সকালে...
নিঝুম তার পরিবার নিয়ে যে বাসায় ভাড়া থাকতো সেই বাসার সামনে বড় দুটি পিকাপ গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। আস্তে আস্তে নিঝুমদের ঘর গুলো খালি হয়ে গেল কিচেন, বেডরুম, ড্রয়িং রুম, ডাইনিং রুম।
শুধুমাত্র নিঝুমের রুমের জিনিসপত্রগুলো থেকে গেল। সব কাজ ঠিকঠাক করে নিঝুমের বাবা মা নিঝুমের রুমে এসে তার বিছানার উপরে বসলো আর নিঝুম চেয়ারের উপরে বসে রয়েছে।
নিঝুমের বাবা শারফারাজ খান নাহিয়ান তার মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললো, মা নিঝুম বলো তুমি কোন হোস্টেলে থাকতে চাও ? তোমার কি পরিচিত কোনো হোস্টেল আছে ?
নিঝুমের বাবার মত তার মা নাহিদা ইসলাম মেঘা ও বলল, হ্যাঁ, মা নিঝুম বলোতো তোমার পরিচিত কেউ কি আছে ? না, থাকলেও সমস্যা নেই আমরা ব্যবস্থা করে দিব।
নিঝুম : আসলে, মা ও বাবা আমি আমার এখানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আনিকার সাথে কথা বলার পর।
শারফারাজ খান নাহিয়ান : কেন, আনিকা আর হোস্টেল এই দুটো জিনিসের মধ্যে সম্পর্ক কি?
নিঝুম : আসলে, বাবা আনিকাও হোস্টেলে থেকে পড়াশুনা করবে।
নাহিদা ইসলাম মেঘা: তাহলে তো ভালোই হলো তুমি আর আনিকা একসাথে একই হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতে পারবে তোমরা তো আবার একই কলেজে পড়ো । তাই না?
নিঝুম : হ্যাঁ।
শারফারাজ খান নাহিয়ান : তাহলে তুমি আনিকার নাম্বারটা দাও, আমি কথা বলে দেখি।
নিঝুম নাম্বারটা দেয় এরপর নিঝুম এর বাবা তাদের সাথে কথা বলে। তারপর নিঝুমের বাবা এবং মা দুজনই বের হয়ে যায় এবং নিঝুমকে বলে, কোন কিছু হলে আমি তোমাকে কল করব।
এই বলে নিঝুমের বাবা এবং মা দুজনেই বের হয়ে যায়। প্রায় ২ ঘণ্টা পর নিঝুমের ফোনে তার বাবার কল আসে। ফোন কলে তার বাবা বলেছিল, নিঝুম তুমি তৈরি হয়ে নাও কিছুক্ষণের মধ্যে তোমার জিনিসপত্রগুলো হোস্টেলে পাঠানো হবে।
তার বাবার কথা অনুযায়ী নিঝুম তৈরি হয়ে নেয়। কিছুক্ষণ পর কিছু লোক আছে তারা এসে নিঝুমের জিনিসগুলো নিয়ে যায়। এরপর নিঝুমের মা আসে নিঝুমকে হোস্টেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য। হোস্টেলে সামনে পৌঁছাতেই দেখা যায় আনিকা তার বাবা-মা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং তাদের পাশে নিঝুম এর বাবা দাঁড়িয়ে আছে।
চলবে... (পরবর্তীতে আমি চেষ্টা করব গল্পটি বড় করে ও মেইন পার্টটুকু লিখার)