এ মাঠের কিনারে একটা নদী ছিলো।
তখন আকাশ মাটি, দুটোতেই ছিলো স্রোতের গান।
শালিকের পাখা ভিজে থাকতো ভোরে,
আর এখন? ধুলো উড়ে যায় কেবল,
ঘাসফুলগুলো কাঁদে পুরোনো কষ্টে।
একা একা ডাকে ডাহুক,
তার ডাকে থেমে যায় দুপুরের বাতাস,
সে জানে না নদী নেই,
তবুও ডাকে, যেন কারো প্রতীক্ষায় সে
সময় গুনছে বাতাসে।
আমি দেখি, একটা মুসাফির মেঘ প্রতিদিন আসে।
খানিক থামে, আবার ভেসে যায়,
গন্তব্যহীন যাত্রা তার, ছায়া রেখে যায় সে
এই শূন্য নদীর ওপর।
মৃত নদীটার খেয়াঘাটে এখন কাশবন।
সেই কাশবন এখনো অপেক্ষায় থাকে,
যেন আবার ঘাসফুল ফোটে,
এদিকে ডাহুকটা ডেকেই যায়,
মুসাফির মেঘ থমকে গিয়ে মৃত
নদীর দিকে তাকিয়ে ভাবে,
এখানেই হতে পারে আমার গন্তব্য।