আমাদের সেই বয়েসটায়
কতকগুলো দিন আমাদের সব কিছু
ভাল লাগত। বাড়ির পাশের এঁদো পুকুর,
নর্দমার জলাবদ্ধতা, এমনকি রাস্তায়
যত্রতত্র ময়লা দেখেও গা করতাম না। বরং
গুনগুন করে এ গান ও গানের সুর ভাঁজতাম সারাক্ষণ।
অতিরিক্ত উচ্ছলতা, অল্পেই হেসে খুন হওয়া
বা হোঁচট খেয়ে ব্যাথা পেলেও মুখের হাসি মুছতো না।
বুকপকেটে একটা ছোট চিঠি নিয়ে সারাদিন
বুকের ভেতর সুখের আমেজ, বারবার নিজেকে আয়নায়
দেখা এসবতো বাতিকের পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। ঘোর
গ্রীস্মেও বুকের ভেতর সারাক্ষন কোকিলের ডাক শুনতাম।
প্রতিবেশী দম্পতির যে ঝগড়ার শব্দে এখন বিরক্ত হই,
সে বয়সে এগুলোও মধুর লাগতো কানে, সত্যি বলছি।
একা একা কাল্পনিক ভাবনায় মগ্ন দিনগুলো
একেবারেই অন্যরকম।
অবশ্য এগুলো দীর্ঘদিন থাকতো না।
কৈশোরে আমাদের অনেকেই ঘন ঘন প্রেমে পড়তাম।
(এ কবিতাটি আমার লেখা আমাকে স্মরণ করার জন্য ধন্যবাদ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া। বইটি ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল)