তপ্ত দিন, ঘর্মাক্ত দেহ—
ঊষর প্রান্তর, অনুর্বর ভূমি;
কণ্টকাকীর্ণ পথ, ক্লান্ত প্রাণ,
মঞ্জিল খোঁজে, অবিরাম ছুটে।
দিন যায়, বেলা ফুরোয়—
পথ হারায়, লক্ষ্যে না পৌঁছায়।
সূর্য ডোবে, অন্ধকার নামে,
লক্ষ্যভ্রষ্ট, দিগ্বিদিক ছুটে।
হাল ছেড়ে, আত্মসমর্পণে—
অস্তিত্ব করবো বিলীন, অন্ধকারে মিশে।
বিলীন না করে, শুধু দিকভ্রান্ত করে,
পথ ভুলে, উল্টো চলে৷
সময় কাটে, তিমির টুটে,
কিরণ ছড়ায়, রবি ওঠে,
গন্ধ বিলায়, আশা ফোটে;
পা বাড়াই, পথ মাড়াই,
দৈর্ঘ্য মাপি, শূন্য থেকে—
প্রথম শুরু, যেথা হতে।
বারংবার ঘুরি, একই চক্রে—
ঘড়ি ঘোরে, যুগান্তর কাটে;
চোখে ছানি, দৃষ্টি কমে,
তবুও ছুটি, নিয়তি ভুলে।
ফিরে তাকাই, পেছন ফিরে—
সৃষ্টিরা আছে, কেঁদে মরে৷
অবহেলায় পড়ে, ধুলায় জমে,
স্বীকৃতি না জোটে, অর্থ-বিত্ত মোটে।
হাড় করে ক্ষয়, না পেলাম জয়,
সময়ের স্রোতে, শুধু শুধু ভেসে;
প্রাণ করে ক্ষয়, জীবনে অপচয়,
সময়ের সিন্ধু, সাঁতরিয়ে শেষ বিন্দু।
পেছনে তাকিয়ে, প্রাপ্তির খাতা মেলে—
মুহূর্তে মেতেছি, সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে।