এক আশ্চর্য বিকেলে মধুমতীর ওপর নীলাকাশ ছিলো না,
সেখানে ছিল কেবল এক দারুণ মানবীর শান্ত, গভীর কথা।
নদীর পাড়ে মেহগনির রোদে সে যখন মৃদু হেসে তাকাল,
মনে হলো পৃথিবীর সমস্ত নদীর বয়স যেন থমকে গেছে এক মুহূর্তে।
তার চোখের কোণে হাজার বছরের একাকী সন্ধ্যার মায়াজাল,
যেন এক নক্ষত্রহীন রাতে সে খুঁজে পেয়েছে তার আদিম ঠিকানা।
বাতাসে ধানের গন্ধ, আর তার ঠোঁটে লেগে থাকা নিঃশব্দ আহ্বান,
আমায় নিয়ে গেল এমন এক অঘ্রাণে, যেখানে বিষাদই সবচেয়ে বড় সত্য।
তার হাতের ছোঁয়ায় দেখি প্রাচীন প্রেমিকার লেখা ধূসর পাণ্ডুলিপি,
যেখানে নদী ও নারী মিলেমিশে একাকার হয়ে মুচকি হাসে যেন এক রূপকথা।
তারপর বিকেল ফুরাল, মধুমতীর জল আরও অন্ধকার হয়ে এল ধীরে,
রয়ে গেল শুধু সেই চেনা মানবীর ছবি, আর তার বুকের অচিন নীরবতা।
Comments
First reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.
-
-
Mahfuza Runa 1 day ago
দারুণ লিখেছেন।
-
protivu publications 1 day ago
মধুমতীর মানবী, শিরোনামেই আটকে ফেলেছিলেন। খুব ভালো লিখেছেন।
-
probash khobor 1 day ago
ক্লাসিক হয়েছে। শুভেচ্ছা জানবেন।
-
আহা, প্রেম, আহা মধুমতীর মানবী। তার হাতের ছোঁয়ায় দেখি প্রাচীন প্রেমিকার লেখা ধূসর পাণ্ডুলিপি- খুব ভালো লাগল কবিতাটি। শুভেচ্ছা রইল, ভাই।
-
sayed Hossain 1 day ago
দারুণ লিখেছেন। শুভেচ্ছা রইল।