ঘন ঝোপের বাগান, কথা বলে তার বুনো গন্ধে, নিঃশব্দে।
যে বোঝে, সে চেনে, শব্দই সংলাপ নয়।
আকাশ কেবল নীল নয়, সে এক খোলা প্রশ্নপত্র,
যেখানে প্রতিটি মেঘের মনে জমা সকল উত্তর।
সূর্য ডাকে ঘুম ভাঙাতে, কিন্তু চোখ চায় আলো।
মনের ভেতর যে আঁধার, তার ভেতর কেবল শোক।
নদী নয় শুধু ঢেউয়ের কাঁথা, সে এক ধৈর্যের চিঠি,
যে হারায়, সেই খুঁজে পায়, কোন বাঁকে হারিয়েছে তার সিঁথি।
পাতা ঝরে, না, বৃক্ষ মরে না, সে বদলায় ভাষা,
বৃক্ষের ভেতর কথা জমে, তাই সে থাকে মাটি আঁকড়ে।
মাটি জানে, পায়ের নিচে ঘুমিয়ে আছে অনন্ত অতীত।
কিন্তু ক’জন মানুষ জানে, তার বুকেও ঘুমিয়ে রয়েছে কতো স্বপ্নলেখা।
অথচ প্রকৃতি কোনো উত্তর নয়, সে কেবল প্রশ্ন লেখক।
মানুষের শব্দেই সব উত্তর। সংলাপে।
সংলাপ চিহ্ন দেখায় দৃষ্টির শেষে পথচিহ্নের।
জল, মাটি, আলো, ছায়া; সবই ভাবনার প্রতিচ্ছায়া,
দুহাত মেলে বাতাসে সাঁতার কাটো আবার।
লক্ষ কোটি প্রশ্ন ভাবনার সর্বশেষ উপাখ্যান,
সকল জিজ্ঞাসার উত্তর দেবে এই প্রকৃতি।
(কবিতাটি আমার লেখা নিষিদ্ধ হয়েছিল আমার বন্ধু নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া)