Story

তারাফুল

October 30, 2026

112 views

১

২১২৬ সাল।

একজন মধ্যবয়সী নারী প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা যাবৎ ওয়েটিং রুমে হাঁটাহাঁটি করছে। সুনির্দিষ্ট করে বলতে গেলে তিন ঘণ্টা আঠাশ মিনিট ছত্রিশ সেকেন্ড ছয়শ সত্তর মিলি সেকেন্ড। সে যে অপেক্ষা করছে সেটা দেখার কেউ নেই এখানে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে রুমের মনিটরে তার আইডি নাম্বারের পাশে সময়টা লেখা।

দীর্ঘক্ষণ ধরে পায়চারি করা নারীর নাম সোহানা ৩৬৮৯২১। এখন আর বাবা-মা সন্তানের নাম রাখেন না। তারা শুধু একটা পছন্দের আদ্যাক্ষর ঠিক করে দেন, বাকি কাজ এ আই করে। তাই ভালো নামের পাশে সংখ্যা থাকে।

বিয়ের ক্ষেত্রে অল্প-বিস্তর স্বাধীনতা থাকলেও, সন্তান জন্ম দিতে হলে কোর এ আই কাউন্সিলের অনুমতি প্রয়োজন হয়। চার ধরনের কঠিন পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই শেষে কাউন্সিল কাউকে নিরাশ করে; কাউকে এক, দুই বা তিন সন্তানের অনুমতি দেয়।

সোহানা আর তার স্বামী এক সন্তানের অনুমতি পেয়েছিল শর্তসাপেক্ষে। শর্ত ছিল, সন্তানের চার বছর বয়স পর্যন্ত তারা স্বামী, স্ত্রী একসাথে থাকবে।

পরীক্ষাগুলো অনেক কঠিন। সেখানে জেনেটিক্স, পারিবারিক ইতিহাস ও পরিবেশ, সর্বোচ্চ সম্ভাবনা, টিকে থাকার দক্ষতা ইত্যাদি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা হয়।

২

প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা আগে সোহানা তার বারো বছরের সন্তানকে দেখার অভিপ্রায় জানিয়েছিল। তাকে জানানো হয়েছে সিহাফারো ২১৯৫৪২ স্কুল শেষে ভার্চুয়াল আনন্দ-জগতে আছে। এখন তাকে বিরক্ত করা যাবে না। সে চাইলে অপেক্ষা করতে পারে। সেক্ষেত্রে, বিনোদন শেষে ট্রেইনিং হবে, তারপর ঘুমাতে যাবার আগে বিশ মিনিটের জন্য ছেলে দেখা করতে আসবে।

গত সপ্তাহে ছেলের বাড়িতে আসার কথা ছিল এক ঘণ্টার জন্য। সে ছয় পদ রান্না করেছিল। উপকরণগুলো খুব একটা সহজলভ্য ছিল না। কিন্তু, ছেলে আসেনি। সারাদিন অপেক্ষা করার পর সোহানা খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, সে ঘুমিয়ে গেছে।

৩

এখনকার পৃথিবী একশত বছর আগের পৃথিবী থেকে খুব ভিন্ন ধরনের। জোনাল লাইব্রেরিতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বিভাগে অতীত-পৃথিবী দেখার সুযোগ আছে। যদিও তা সবার জন্য উন্মুক্ত না। সেখানে কাজ করার সুবাদে সেই পৃথিবী সম্পর্কে সোহানা খানিকটা ধারণা পেয়েছে।

তখন এই সম্পূর্ণ প্ল্যানেটটা একটা দেশ ছিল না, বরং ছোট-বড় অনেক দেশ ছিল সেখানে। দেশের সীমানাও ছিল, যে সীমানা পার হতে গেলে এক ধরনের টিকেটের প্রয়োজন হতো।

সবচেয়ে যেটা আশ্চর্যজনক মনে হয়েছে তার কাছে সেটা হলো, সন্তানরা বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতো বড় হবার আগ পর্যন্ত। একে বলা হতো পরিবার। চমৎকার না? তার মনে হয়, সে অন্তত একশ বছর আগে জন্ম নিলে ভালো হতো।

৪

আগেই বলা হয়েছে, এখনকার পৃথিবী খুবই আলাদা। একে বলা হয় আর্থ-ওয়ান। কেন বলা হয়, আর্থ-টু বা থ্রি আছে কি না, তা সোহানা জানে না। জানার অধিকারও তার নেই। আর্থ-ওয়ান পরিচালিত হয় মূলত এ আই কাউন্সিল দ্বারা। বলা হয়ে থাকে, লেভেল-জিরোর উপরে সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত দেন আলফা-স্তরের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের সম্পর্কে সাধারণ মানুষ খুব বেশি কিছু জানেনা।

মানুষের মধ্যে পরিষ্কারভাবে সামাজিক স্তরবিন্যাস বিদ্যমান। আর তা দায়িত্বপ্রাপ্ত মানবিক ফোর্স ও এ আই টিম দ্বারা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে। সমগ্র আর্থ-ওয়ানে ১১ টি সামাজিক স্তর ও কিছু উপ-স্তর আছে। প্রত্যেক স্তরের মানুষের জন্য পেশা নির্দিষ্ট। তার বাইরে কেউ যেতে পারে না।

এই এগারোটি স্তরের বাইরে অল্পসংখ্যক মানুষের একটি বিদ্রোহী জনগোষ্ঠী আছে; সেখানে কেউ কবি, কেউ সাহিত্যিক, কেউ চিত্রকর, কেউ চিন্তাবিদ আবার কেউ বিজ্ঞানী। স্বাধীন চিন্তাকে এ আই-এর ভীষণ ভয়। তাই বিদ্রোহীগোষ্ঠীর সঙ্গে মেলামেশা শাস্তিযোগ্য উঁচুমাত্রার অপরাধ।

কোর এ আই কাউন্সিল চাইলে বিদ্রোহীদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলতে পারে। কিন্তু করে না। কেন করে না, তা কেউ জানে না।

সোহানার মনে হয়, এই গোষ্ঠীর সদস্যদের স্বাধীন ভাবে চিন্তা করার সক্ষমতা আছে। তাই তারা প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে বড় বড় সমস্যার খুব সহজ সমাধান দিতে পারেন। এটা একটা যুক্তিসঙ্গত কারণ হতে পারে তাদের মৃত্যুদণ্ড না দেয়ার। বরং কোনো কোনো মহাগুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাউন্সিল তাদের পরামর্শ সহায়তা চায়। অদ্ভুত না?

সোহানা ভাবে, আজকের জন্য যথেষ্ট স্বাধীন চিন্তা করে ফেলেছে সে, আর দরকার নেই। ইতোমধ্যে দুটো হলুদ কার্ড তার ঝুড়িতে আছে।

আজকেও ছেলের সাথে দেখা করা সম্ভব হয়নি। পরের সপ্তাহে হয়তো হবে।

৫

ফেরার পথে হাতে-আঁকা ছবিটা সে ভাঁজ করে লুকিয়ে ফেলে। ছবিতে তিন বছরের ছোট্ট সিহাফারো তার মাথায় বুনোফুল গুঁজে দিচ্ছে। যদিও সবধরনের উপহার আনা এখানে কঠিনভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু সোহানা ছবিটা প্রতিবার সাথে করে নিয়ে আসে। দেখানোর পর আবার ফেরত নিয়ে যায়।

পনের বছর বয়সের পর থেকে এখানে শিশুদের স্মৃতি রিবিল্ড করে একেবারে নিখুঁত স্মৃতিতে পরিণত করা হয়। কষ্টকর স্মৃতিগুলো নাকি মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তাই প্রত্যেক মানবসন্তানের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা নিশ্চিত করতে, ছোটবেলার সব কষ্টকর স্মৃতি মুছে ফেলা হয়। উচ্চতর মনোবিজ্ঞান কমিটির ভাষ্যমতে, এসব ত্রুটিপূর্ণ স্মৃতি মানুষের সফলতার পথে বাঁধা।

সমস্যা হচ্ছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সত্যিকারের স্মৃতি মুছে গিয়ে সিন্থেটিক মেমোরি তৈরি হয়। সেই সিন্থেটিক মেমোরিতে দুঃখ-কষ্টের সাথে সাথে কিছু আনন্দময়, অর্থবহ স্মৃতিও হারিয়ে যায়।

পদে পদে এত বিধি-নিষেধ, ভাবলে সোহানা ক্লান্ত বোধ করে। এখানে তার বাঁচতে ইচ্ছে করে না। তার যেতে ইচ্ছা করে বহু পুরাতন পৃথিবীতে, যেখানে সে তার সন্তানকে বুকের মধ্যে নিয়ে শুয়ে থাকবে, যেখানে চার বছরের শিশুকে আর্থ-ওয়ানের বিশাল শিশুপালন কেন্দ্রে জমা দিতে হবে না।

সন্তানের হাত ধরে সে শিক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে যাবে, আবার ফেরত নিয়ে আসবে। কখনো তারা স্বামী-স্ত্রী, সন্তান একসাথে বেড়াতে যাবে; বনে, নদীতে কিংবা পাহাড়ে।

অথবা, সব শিশু একসাথে খেলা করবে খোলা আকাশের নিচে, দূরে বসে মায়েরা দেখবে আর গল্প করবে। এমন একটা পৃথিবী যদি সত্যিই থাকতো, কি ভালো হতো!

ভাবতে ভাবতে সোহানার গলাটা ধরে আসে।

৬

সিহাফারো মনে মনে আশা করেছিল, আজকে মা আসবে। আসাটাই স্বাভাবিক। প্রতি সপ্তাহে একদিন মা তাকে দেখতে আসে। বহু বছর ধরে তিনি আসছেন।‌ মা আসলে, মায়া মায়া চোখে তাকান, ছোটবেলার অনেক কথা বলেন, যার প্রায় কিছুই সে মনে করতে পারে না।

যাওয়ার আগে মেটাল ব্রেসলেটের নিচ থেকে খানিকটা কোঁচকানো হাতে-তৈরি একটা টুকরো কাগজ বের করেন। সেখানে, সুন্দর ছবি আঁকা। ছবির স্মৃতি সে মনে করতে পারে না, তবে ছবিটা তার ভালো লাগে।

যেহেতু মার সাথে তার দেখা হয়নি, সে দুই ধরনের সম্ভাবনার কথা ভাবে। এক, মা এসেছিল, তাকে জানানো হয়নি। দুই, কোনো বিশেষ কারণে মা আসতে পারেনি।

প্রথমটা ঘটার সম্ভাবনাই বেশি। সিহাফারোর সুপারভাইজার ইদানীং তার প্রতি খানিকটা কঠোর বলে মনে হয়।

কারণটা সে জানে। অন্য সব মূল্যায়নের বিষয় আলাদা, কিন্তু ‘মুক্তচিন্তা’য় যারা বেশি নম্বর পায় তাদের প্রতি শিক্ষাকেন্দ্র কঠোর ব্যবস্থা নেয়। সেটা ঘটে থাকে কয়েক ধাপে।

প্রথম ধাপের অংশ হিসেবে তাদের সাথে কেউ দেখা করতে পারে না। পরবর্তীতে তাদের আলাদা করে ফেলা হয় অন্যদের কাছে থেকে। এমন শিক্ষার্থীও আছে যাদেরকে আর কখনো পরবর্তীতে দেখা যায়নি। অথবা, দেখা গেলেও তাদেরকে আর আগের মতো মনে হয়নি।

সমস্যা হচ্ছে সে ইচ্ছে করে ভালো নম্বর পায়নি। খারাপ করার অনেক চেষ্টা করেও পর পর তিন বার বেশি নম্বর পেয়েছে। তারমধ্যে, একবার সর্বোচ্চ।

যে কোনো সময় সে নাই হয়ে যেতে পারে। তার আগে মায়ের সাথে একবার দেখা করতে পারলে ভালো হতো। যদিও সে জানেনা কতটা সময় তার হাতে আছে।

বসন্তের আগমন উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা গ্রিন হাউজে কাজ করছে। সেখানে অনেক ধরনের ফুলের গাছ আছে। কিন্তু বেশিরভাগ ফুলই গন্ধহীন। কোনো কোনো গাছ, ফুল আকৃতিতে বিশাল।

সিহাফারো কাজ করছে তার পছন্দের ফুলের চারা নিয়ে । বিজ্ঞানীরা জোনাকি পোকার সাথে ব্রিড করে অদ্ভুত ধরনের এই ফুল তৈরি করেছিলেন।

৭

সোহানা পর পর কয়েকবার শিক্ষাকেন্দ্রে এসে ফিরে গেছে। এরপর তাকে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে যে, সিহাফারো কে নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সিদ্ধান্ত না নেয়া পর্যন্ত তিনি যেন কেন্দ্রে না আসেন। সব ঠিক হলে পুনরায় তাকে জানানো হবে।

সোহানা তার সহকর্মী ও স্তরের অন্যান্য যাদের সাথে পরিচয় আছে তাদের প্রায় সবার সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছে। প্রথমদিকে তারা খানিকটা সহমর্মিতা দেখালেও এখন একপ্রকার এড়িয়ে চলে।

কিছুই ভালো লাগে না তার। উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টি। মাথার ছোট ছোট চুলগুলো সারাক্ষণ এলোমেলো হয়ে থাকে। কোনো কাজে মন বসে না। তবুও রোবটের মতো লাইব্রেরির কাজ করে চলেছে সে। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মতো অগুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগে সে ছোটখাটো কাজ করে।

পাঁচ মাস পেরিয়ে গেছে। সোহানা ভাবছিল ম্যান্ডেলার সাথে দেখা করবে। ম্যান্ডেলা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রধান। তার নামটা একটু ভিন্ন ধরনের। কারণ আর্থ-ওয়ানের দেয়া নাম তিনি পরিত্যাগ করেছেন।

এসব ভাবতে ভাবতেই তার ব্রেসলেট বেজে ওঠে-শিক্ষাকেন্দ্রের নোটিস। বসন্ত উৎসব উপলক্ষে সকল অভিভাবকের নিমন্ত্রণ।

৮

বসন্তের প্রথম দিন। সোহানা শিক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে থাকে। যে কোনো কিছুর জন্য সে মানসিকভাবে প্রস্তুত। তারপরও হঠাৎ করে প্রচণ্ড জোরে তার হার্টটা পাম্প করতে থাকে, আবার ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে যায়। একদম শান্ত।

শিক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে সোহানা ধীর কিন্তু দৃঢ়পায়ে অতিথিকক্ষে প্রবেশ করে। ঘুরে ঘুরে গ্রিন হাউজে শিশুদের তৈরি বিভিন্ন প্রজেক্ট দেখে।

নিমন্ত্রণের সাথে তার জন্য একটা এপয়েন্টমেন্ট আছে এ-ওয়ান লেভেলের কর্মকর্তার সাথে। গ্রিন হাউজ থেকে বের হওয়ার পর একটা প্রাইমারি রোবট তাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় কর্মকর্তার কক্ষে।

শিক্ষাকেন্দ্রের কাজে এই প্রথম তার কোনো মানুষের সাথে দেখা হলো। যদিও সে জানে না, এই ভদ্রলোক সত্যিকারের মানুষ নাকি হিউম্যানয়েড।

ভদ্রলোক ভনিতা করলেন না। সরাসরি যা বললেন, তার মানে খুব পরিষ্কার। সিহাফারো অন্য শিক্ষার্থীদের থেকে আলাদা এবং বিশেষভাবে সক্ষম। তাই নিয়মানুসারে তার ভালোর জন্যই তাকে অন্যদের থেকে পৃথক স্থানে রাখা হয়েছে। এটা সোহানা ও তার সামাজিক স্তরের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক বিষয়। এ পর্যন্ত সব ঠিক ছিল।

কিন্তু, পরের কথাটা শুনে সোহানার পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে যায়। উঠে দাঁড়ানোর শক্তিটুকুও থাকেনা।

‘বিশেষ ধরনের গ্রুমিংয়ের কারণে সিহাফারো আর কখনো জনসমক্ষে আসতে পারবে না।’ ভদ্রলোক খানিকটা দুঃখও প্রকাশ করলেন তার জন্য।

তারপর বললেন, ‘সিহাফারোর বিশেষ অনুরোধে আপনার বাসায় একটা উপহার পৌঁছে দেয়া হয়েছে।’ অনেকটা সান্ত্বনার মতো শোনায় কথাটা।

৯

এক বছর পর।

সোহানার এক রুমের বাসার সামনে ছোট্ট উঠান। বাড়ির প্রবেশ পথের একপাশে মাঝারি আকৃতির একটি লুমিনিসেন্ট গাছ। মাত্র একবছরে গাছটিতে অসংখ্য ফুল ধরেছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় ঝাঁকড়া চুলে অনেকগুলো তারা গুঁজে দেওয়া। অন্ধকারে উজ্জ্বল নীল ফুলগুলো তারার মতো জ্বল জ্বল করছে।

লেখকের নোট: মৌলিক, অপ্রকাশিত, সম্পূর্ণভাবে এ আই বিবর্জিত গল্প।

Picked up where you left off

Comments

robin ahmed was this story’s first reader

+20 XP

    Please login to post comment. Login

  • robin ahmed 18 hours ago First reader

    গল্পটি প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে মা ও সন্তানের চিরন্তন ভালোবাসা, বিচ্ছিন্নতা এবং স্বাধীন চিন্তার ওপর নিয়ন্ত্রণের এক মর্মস্পর্শী চিত্র তুলে ধরেছে। শেষের লুমিনিসেন্ট গাছটি গল্পে সুন্দর প্রতীকী ব্যঞ্জনা যোগ করেছে।

    • Shahzadi Nasrin 16 hours ago

      ডিটেইল্ড চমৎকার পর্যবেক্ষণের জন্য ধন্যবাদ।