সোহানা যতবার ‘না’ বলে, মেয়ে খুন্খুন্ করে কাঁদতে থাকে। যেন কান্নাতেই সব সমাধান। এমনকি বাঘের চোখও মিলতে পারে।
ছোট্ট রায়নার লম্বা চুলগুলো এলোমেলো হয়ে প্রায় জটা পাকানোর উপক্রম। টোপা টোপা গাল বেয়ে চোখের পানি পড়তে গিয়েও আটকে আছে নাকের দুই পাশে। সুড়সুড়ি থামাতে হাতের উল্টোপিঠে ঘষে মুছে নেয় সে। তারপর অভিমান করে বিছানার পাশে মেঝেতে শুয়ে পড়ে কাত হয়ে। একসময় ঘুমিয়ে যায়।
এবার সোহানা ভালো করে তাকিয়ে দেখে। মনে হয় পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট, দুঃখী মানুষটা তার ঘরের মেঝেতে শুয়ে আছে। আহারে!
এমন কান্না প্রথমদিকে তাকে খুবই বিচলিত করতো।
এখন আর করে না।
কারণ হিউম্যানয়েডের সত্যিকার কোনো মানবিক অনুভূতি নেই।