স্তব্ধ এক ধূসর আলোয় যখন ঝরে পড়ে মরা নক্ষত্রের দেহ,
ভেঙে পড়া চরের বুকে এসে বসে পৌষের এক ক্লান্ত পেঁচা।
আমরা কি তবে কেবলই প্রাচীন শিলা আর শুকনো পলিমাটির স্তূপ,
যা ভেসে চলেছে কোনো এক নিস্তব্ধ, জলহীন নদীর ওপর দিয়ে?
হাজার বছরের ধ্বংসাবশেষে জমে থাকা ধূলিকণা আর শুকনো ঘাসের গন্ধ,
অন্ধকার ধানক্ষেতের গায়ে যেন ডেকে ওঠে কোনো পরিচিত সুর।
এদিকে ইট-পাথরের ধূসর নগরী ঢেকে যায় কুয়াশার নরম চাদরে,
সেখানেও রূপসী কোনো মেয়ের চোখে থমকে থাকে দূর বিকেলের রোদ।
হয়তো কোনো নতুন ভোরে ভেসে উঠবে হারিয়ে যাওয়া চেনা ঘরবাড়ি,
অথবা নবান্নের রাতে আমরা ফিরে পাব আমাদের বিস্মৃত সমর্পণ।
নশ্বর এই কাচ আর লোহার সভ্যতার মায়াবী ছায়ায়,
এখনও এক বিষণ্ণ চিল ডানা মেলে খোঁজে তার শৈশবের ইতিহাস।
এই কি তবে আধুনিকতার শেষ সত্য, ভাঙাচোরা স্মৃতির আহাজারি?
নাকি দূরের ধান ক্ষেতের কুয়াশায় হারিয়ে গেছে আমাদের ঘরবাড়ি।
Comments
First reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.
-
-
এই কি তবে আধুনিকতার শেষ সত্য, ভাঙাচোরা স্মৃতির আহাজারি? নাকি দূরের ধান ক্ষেতের কুয়াশায় হারিয়ে গেছে আমাদের ঘরবাড়ি।সুন্দর লিখেছেন কবিতাটি। শুভেচ্ছা রইল ভাই।