"দরজাটা বন্ধ করো। পরে কেউ দেখে ফেলবে!" ঈশানার কণ্ঠে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।
"আরে ধূর! এখানে তুমি আর আমি ছাড়া কেউ নেই। ভয় পেয়ো না তো!" সামিরের আশ্বাসে কিছুটা স্বস্তি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ঈশানা কিন্তু কেন যেন তার মনে হচ্ছে এখানে ওরা দু'জন ছাড়াও আরও কেউ আছে। যদিও সেই সম্ভাবনা ক্ষীণ।
ফাল্গুনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে কয়েকদিন যাবত। শীতের আমেজকে বিদায় জানাতে গাছের পাতা ঝরে যাচ্ছে। এই তো আর কয়েকটা দিন বাকি আছে সামির আর ঈশানার বিয়ের। কিন্তু সানাই বাজার আগেই সামিরের ডাকে একটা বাগানবাড়িতে একান্তই কাছাকাছি থাকার নিমিত্তে একত্রিত হয়েছে দু'জন। এই বাগানবাড়িতে আসার পর পরই কেমন যেন একটা শিরশিরে অনুভূতি হচ্ছে ঈশানার। মাঝে মাঝেই গরম নিঃশ্বাস শরীরের এখানে সেখানে ছুঁয়ে যাচ্ছে। কখনও চুলে তো কখনও গলায়। আবার কখনও মনে হচ্ছে পেছনে কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে।