আমি শামুকের মতো সমস্ত শরীর নিয়ে খোলসের বাইরে বেরিয়ে আসব তোমার অভিসারে। অসম্ভব লকলকে জিভ হয়ে ঢুকে পড়ব তোমার ভেতর। তোমার বুকের ভেতরের শীতল অন্ধকারের কপাট খুলে জ্বলে উঠব ভরা পূর্ণিমার চাঁদ। অবহেলা অনাদরে আমার চলাচলের যেসব পথ আগাছায় ঢাকা পড়ে আছে, আরেকবার হেঁটে আসব মৃগনাভি কস্তুরি। মুছে যাবে অবসন্ন বিকেলের ক্লেদ, জমে থাকা ধূসর শীতের রাতের সকল অবশাদ। প্রবল প্রেমে লীন হওয়ার আগে একসাথে, ভেতরে ভেতরে তুমিও বিষ হও। দুজনে জড়াজড়ি করে মরে পড়ে থাকব, তলিয়ে যাব সৈকতের কোন এক বিষণ্ণ বালিয়াড়িতে। পৃথিবীর অগণিত সূর্যেরা সমুদ্রের নোনা জলে লুপ্ত হবার পর— ক্লান্ত নাবিকের সাথে যদি দেখা হয় ফের, ফসিলের বেশে। নৃবিজ্ঞানীর গবেষণা টেবিল আমাদের অস্থি ব্যবচ্ছেদ করে জানবে—
আমরা বেঁচে ছিলাম পৃথিবীতে
খোলসের সাথে শরীরের সম্বন্ধ যেমন