Posts

উপন্যাস

চোখের তারায় জোনাকির আলো (শেষ পর্ব)

January 27, 2026

ইহতেমাম ইলাহী

35
View

লেখকের সব লেখা পড়তে,
https://fictionfactory.org/contributor/4237


হাসানের মন আনচান করছে। আজ রাতেই ট্রেনে উঠতে হবে ঢাকা ফেরার জন্য। বাড়ি থেকে চলে যেতে ইচ্ছে করছে না। আর কয়েকটা দিন যদি থাকা যেত! যাক, আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল। সে যাচ্ছে শহীদ চাচার বাড়ি। চাচা বাড়িতেই আছেন। শহীদ মিয়া হাসানকে আগেই দেখে ফেলল। 
      ‘কীরে ব্যাটা, আছিস কেমন?’
      ‘আসসালামু আলাইকুম, চাচা। আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?’
      ‘আলহামদুলিল্লাহ ভালোই।’

শহীদ মিয়া সকালের খাবার খেয়ে দাঁত খিলাল করছেন। হাসানকে বললেন, আয় ঘরে আয়। টুকটাক কথাবার্তার পর হাসান আসল কথায় এল। বলল, চাচা, মানিক চাচা আপনার কাছে কিছু টাকা ঋন নিতে চায়। আপনাকে বলেছে কিছু?
        ‘না তো।’
        ‘আচ্ছা বলবে হয়ত।’
      ‘বললেই হবে? ওদের উপর কোনো বিশ্বাস নাই। পুরো ফ্যামিলির মধ্যে সমস্যা। ওর ভাগনে আজমল বাপকে কী খেলা দেখাল?’
          ‘আল্লাহ রহম করুন।’ 
        ‘হুম। বাপ মরছে, এখন দেখবা বাড়ি ভিটাও বেঁচে দিবে। ওর মা’কে রাখবে বোনের বাড়িতে। দেইখো, আমার কথা মিলে কি না।’ 
          ‘জুয়ার নেশা সব শেষ করে দিল।’ 
          ‘হ্যাঁ, কী কিরকেট খেলা আইলেই পোলাপান জুয়া খেলে। দেশটা শেষ।’ 
        ‘চাচা, মানিক চাচা এলে তাকে হাজার বিশেক টাকা দিয়েন। তার মেয়েটার বাবু হওয়ার ডেট সামনে। চাচার হাত খালি।
      ‘তোমার টাকা লাগলে কও। অন্য কারো ব্যাপারে বলিও না, বাপ। তুমি এইগুলার মধ্যে জড়াও কেন?  শিক্ষিত ছেলে তুমি। তোমার লাইফ নিয়ে থাকো।’ 
          ‘চাচা, আমার এই কথাটা রাখতেই হবে। আমিই ২০ হাজার টাকা দিব মানিক চাচাকে। কিন্তু আপনার হাত দিয়ে। মানিক চাচা জানবে না যে আমি টাকা দিছি।’
            ‘তোমার টাকা উঠাইব কে? আমি এই ঝামেলায় যাবো না।’ 
          ‘চাচা, ৬ মাসের সময় দিয়েন ফেরত দেয়ার। না পারলে আরও দুই মাস/তিন মাস সময় দিয়েন। টাকা উঠানো নিয়ে আপনার চিন্তা নাই। আল্লাহ ভরসা।’ 


শহীদ মিয়ার মনোভাব বোঝা যাচ্ছে না। তিনি দাঁত খিলাল করেই যাচ্ছেন। অন্যমনষ্ক হয়ে আছেন। তার মুখে কিছুটা হাসি হাসি ভাব। বললেন, তাহলে তুমি কবে টাকা দিবা আমাকে? হাসান বলল, ইন শা আল্লাহ ঢাকা গিয়েই আপনার মোবাইলে খরচ সহ পাঠিয়ে দিব। আমার কাছে ক্যাশ নাই। 
      ‘আজব ফ্যাকরায় ফেলছ আমাকে। তুমি তাগোরে নিয়া ভাববা কেন? এখন আমারেও কী প্যাচের মধ্যে ফেললা।’ 
হাসান চুপ করে আছে। শহীদ মিয়াও চুপ করে আছেন। হাসান বলল, চাচা। 
        ‘হুম। দাও, পাঠায় দাও মানিক কে। 
        ‘আচ্ছা ঠিক আছে, আমি বলব কথায় কথায়। তবে আপনি আমার কোনো কথা মানিক চাচাকে বলবেন না। মানিক চাচা ভাববে যে, আপনিই তাকে ঋন দিয়েছেন।’
        ‘ঠিক আছে, যাও।’ 



ট্রেনে ভালো কখনো ভালো ঘুম হয়। কখনো হয় না। রাত কেটে যায়। ফযরের ওয়াক্ত হয়ে গেছে। তবে এখনো আযান হয় নি। ট্রেন থেকে নেমে হাসান রিকশা খুঁজছে। যাত্রাবাড়ি যেয়ে ফযর জামাত ধরা সম্ভব ইন শা আল্লাহ। ট্রেনে ভালোই ঘুম হয়েছে তার। সামনের দিকে মুখ করে বসেছিল । ঘুম এত গাঢ় হয়েছে যে শরীর খুব সুস্থ্য অনুভব হচ্ছে। জার্নিতে ঘুম খুব ভালো হয় কখনো কখনো ঘরে চেয়ে। আজ হয়ত সেরকম একটা দিন। হাসান পা ফেলছে আস্তে আস্তে। সাথে ভারি ব্যাগ নেই। হাঁটতে অসুবিধা হওয়ার কথা না। কিন্তু তার মন ভার হয়ে আছে। ট্রেন  ঢাকা স্টেশনে এসে পৌঁছালে মনে হয় বাড়ির সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে। এখন সে এক নতুন জীবনে প্রবেশ করেছে। আলাদা পথ ঘাট। আলাদা মানুষ। বেশিরভাগই অপরিচিত। হাসান দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলল। এবার বাড়ি থেকে এসে ভালো লাগছে না। হাসান রিকশা ডাক দিল। রিকশাওয়ালা এগিয়ে এল। হাসান বলল, ভাড়া কত? উত্তর এল ১৫০ টাকা। হাসান বলল, ঠিক আছে চলেন। ভাড়া নিয়ে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না তার। মূল ভাড়া ৭০/৮০ টাকা। এখন অবশ্য সুবহে সাদিক। রিকশাওয়ালা ভাড়া বেশি চেয়েছে এ কারণে। 

রাস্তা ফাঁকা। দুই একটা সিএনজি যাচ্ছে, আসছে । কিছু রিকশা দেখা যাচ্ছে মাঝে মাঝে। বড় বড় ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিস্কার করছে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। এদেরকে সাধারণত দিনে দেখা যায় না। রাত দেড়টা দুইটার পর থেকে তাদের কাজ শুরু হয়। শহরবাসী ঘুমিয়ে আছে। হাসানের মনে হচ্ছে, এই পৃথিবী কতই না ক্লেশময়। মানুষের জীবন ক্লেশময়। বাইরে থেকে দেখলে একজন মানুষের জীবন বোঝা যায় না। তার অন্তর্গত জীবন সে লুকিয়ে রাখে। রিকশাওয়ালা ভাইটিও হয়ত অনেক কিছুই লুকিয়ে রেখেছে। জীবনের অনেক ঘাত-প্রতিঘাত মেনে নিয়ে ভোররাতে রিকশা টানতে বের হয়েছে। হার কাসিরাকি মীবিনি, দাস্তানি দারাদকে নেমিদানি। বিখ্যাত ফার্সি উক্তি। এর মানে হলো, যে কাউকে দেখো, তার একটি গল্প আছে যা তুমি জানো না। 

হাসানের খুব একা লাগছে। এই ফাঁকা শহরে একাকী রিকশাভ্রমণ এই মুহুর্তে তীব্র ক্লেশময় মনে হচ্ছে। হাসান শুনতে পেল, দূর থেকে কী একটা সুর ভেসে যাচ্ছে। হাসান কান পেতে রাখল। ধীরে ধীরে সুরটি স্পষ্ট হচ্ছে। ওয়াজের ক্যাসেট বাজছে কোথাও। এত রাতে ক্যাসেট? এখন স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে, ওয়ায়েজ খুবই শান্ত স্বরে থেমে থেমে সুর দিয়ে কথা বলছেন। “ও বান্দা, এগুলোকে তৈরি করেছি তোমার গোলামী করার জন্যে, তোমাদের গোলামী করার জন্যে। ও মানুষ, সবকিছুর দাম জানলা, শুধু নিজের দাম জানলা না, তুমি কত দামী। তুমি সোনার দাম জানলা, রুপার দাম জানলা, হিরার দাম জানলা, এগুলো তো বস্তু। কিন্তু বস্তুগুলাকে আমি যাদের জন্য তৈরি করলাম, তারা নিজেদের দামটাই শুধু জানল না। কীমাতে চেহার চিজে রাদা নিকে চেশত, কীমাতে খুদ রানাদানে আহমাকেশত। আরেফে রুমী রহমাতুল্লাহে আলাইহ বলেন, তুমি সব জিনিসের দামই বুঝলা, দামই চিনলা! ও মানুষ, শুধুমাত্র বেকুব তুমি শুধু নিজের দামটাই বুঝলা না, কত বড় দামি তুমি ! আজমালায়েক বাহরে দারি, ওয়াজবাহায়েম নিযে হাম……। তুমি জানোয়ারের অধমও হতে পারো, ফেরেশতারও উপরে উঠতে পারো। জানোয়ারের খাসলত থেকে নিজেকে পৃথক করে নাও, আল্লাহর ব্যাপারে জ্ঞান অর্জন করো, তিনি তোমাকে কত ভালোবাসেন তা জানার চেষ্টা করো… তার পথনির্দেশনা জানো, মন প্রাণ দিয়ে মানার চেষ্টা করো। মানুষ হয়ে যাও, তাহলে তুমি ফেরেশতারও উপরে চলে যাবে…।”  

হাসান দেখল একটা ফার্নিচারের দোকানে ক্যাসেট বাজছে। এত রাতেও কয়েকজন কাজ করছে, তারাই শুনছে। ভোর রাতে ওয়ায়েজের শান্ত সুললিত কথাগুলো শুনে খুবই ভালো লাগছে। হৃদয়ের ভেতর ঠান্ডা একটা অনুভূতি । কাঠের দোকান দূরে  ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে রিকশা। সুললিত কন্ঠের কথাগুলো অস্পষ্ট হয়ে আসছে। হাসান তবুও উতকর্ণ হয়ে আছে। আযানের ধ্বনি শোনা গেল কাছের কোনো মসজিদে । হাসান মোবাইল বের করল। দেখতে হবে কয়টা বেজেছে। 

 



 

                                                             (১২)

আজ অফিসের সময়টা খুব একটা ভালো কাটে নি হাসানের। কাজ করার মত মানসিকতা ছিল না। বাড়িতে যাওয়ার আগে যে অবস্থা ছিল, মানসিক অবস্থা তার চেয়েও খারাপ। কিন্তু কিছু করার নেই, কাজ তো করতেই হবে। অফিস থেকে ফিরতেও হলো দেরি করে। মাগরিবের পরে। অফিস শেষে এখন কিছুটা স্বস্তি লাগছে। হাসান রিকশায়। জহির কল দিল। বলল, হাসান, আমাদের ভ্রমণ নিয়ে কবিতা লিখে ফেলেছি। শুনবি? হাসান বলল, জহির, আমি একটু বাইরে আছি। তুই কবিতার টেক্সট হোয়াটসেপে দিয়ে রাখ। আর কবিতা আবৃত্তির ভয়েস দিয়ে রাখ। ইন শা আল্লাহ বাসা গিয়ে শুনব। অগ্রিম জাযাকাল্লাহ। জহির বলল, ঠিক আছে। ওয়া ইয়্যাক, দোস্ত। 

ইশার নামাজের আর বেশি দেরি নেই। রিকশাওয়ালা চাচা বৃদ্ধ। হাসান রিকশা নেয়ার সময় খেয়াল করে নি যে, এটা পায়ে চালানো রিকশা। রিকশা চলছে মধ্যম গতিতে। মটোরের রিকশা হলে উড়িয়ে নিত। হাসান জিজ্ঞেস করল, চাচা, এই রিকশা চালান কেন?
    ‘মটোরের রিকশা ৪০০ টাকা জমা। এই রিকশা ১০০ টাকা।’ 
    ‘ওহ, আচ্ছা। চাচা থাকেন কোথায়?’
    ‘আমার বাড়ি বাবা, গাইবান্ধা। এইখানে ছেলের কাছে আইছি।’
    ‘ছেলে কী করে আপনার?’
    ‘মাদ্রাসায় পড়ে, বাবা।’
    ‘বলেন কী? আপনি গাইবান্ধায় কী করেন?’
    ‘একটা নুরানী মাদ্রাসা চালাই।’
    ‘আপনার নিজের মাদ্রাসা?’
    ‘হ, নিজের। ছোট মক্তবের মত।’
    ‘তো ঢাকায় রিকশা চালাচ্ছেন যে?’
  ‘ছেলে হিফয পড়তেছে। মাঝে মধ্যে দেখতে আহি। কিছুদিন থাকি। বইস্যা থাইকা কী করমু। রিকশাও চালাই। কিছু খরচ পাতি উঠে।’ 
    ‘ওহ হো। গ্রামে কি শুধু মাদ্রাসাই চালান?’
    ‘দুইটা ভ্যানগাড়ি আছে। আগে চালাইতাম। এখন ভাড়া দেই।’
    ‘এত কষ্ট করে আপনি ছেলে মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন!’
    ‘হা হা, কষ্ট না। আল্লাহ ভালাই রাখছেন।’ 
    ‘আপনার বয়স কত চাচা?’ 
    ‘৭১/৭২ হইবো। আমার ছেলেটা সবার ছোড। বড় মেয়াদের বিয়া দিছি, আল্লাহর রহমতে।’ 
    ‘আচ্ছা, আচ্ছা। আল্লাহ সবকিছু সহজ করুন আপনার জন্য।’ 

হাসান বৃদ্ধের হাতে ১০০ টাকার একটা নোট গুজিয়ে দিয়ে মসজিদে ঢুকে গেল। 

নামাজ শেষে হাসান সময় নিয়ে সুন্নত, নফল পড়ল। মনটা অস্থির। ভালোমত নামাজ পড়লে অস্থিরতা কমে। ভালো লাগে আলহামদুলিল্লাহ। পিলারে হেলান দিয়ে একটু যিকর আযকার করার জন্য বসল সে। পাশেই মুয়াজ্জিন ও মসজিদের খাদেম সাহেব দাঁড়িয়ে। কী নিয়ে যেন কথা বলছে। হাসান কান পাতল। খাদেম সাহেব বলছেন, ‘আরে, মহিলা ভিক্ষা করত। আত্মীয় স্বজন নাই। মসজিদে এলার্ন করার দরকার নাই, কিছু মানুষ দিয়ে দাফন, কাফন জানাযা করলেই হলো।’ হাসান উঠে দাঁড়াল। জিজ্ঞেস করল, মুহতারাম কেউ কি মারা গেছে? মুয়াজ্জিন সাহেব সলজ্জ ভঙ্গিতে বলল, এক ভিক্ষুক মহিলা মারা গেছে, ভাই। হাসান বলল, নাম কী বলতে পারেন? 
    ‘নামটা কী জানি? হ্যার এক মেয়া আছে, পাগল।’ 
খাদেম সাহেব বলল, অমিজন মনে হয় নাম, না কি। 
হাসানের বুক ধক করে উঠল। বলল, নাম কি তমিজন বেগম?
খাদেম সাহেব উৎসুক হয়ে বলল, হ্যাঁ, হ্যাঁ। তমিজন বেগম। 

হাসানের হার্টবিট অনেক বেড়ে গেছে। সে থমকে দাঁড়িয়ে আছে। মুয়াজ্জিন সাহেব, খাদেম সাহেব বুঝছে না, ছেলেটার কী হলো। হাসানের মানিব্যাগে এখনো ৫০০ টাকা আলাদা রাখা। এই টাকা তমিজন বেগমকে দেয়ার জন্যই এনেছে সে। মসজিদ থেকে কিছু দূরেই তমিজন বেগমের বাড়ি। নামাজ পড়েই হাসান তার সাথে সাক্ষাতের জন্য যেত। হাসান মসজিদ থেকে বেড়িয়ে এল। তার শ্বাস পড়ছে দ্রুত। নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করছে । ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিঊন পড়তে ভুলে গেছিল। এখন পড়ে নিল। পকেটে তার ফোন বাজছে । দেখল শহীদ চাচা কল দিয়েছে। হাসান কল ধরে সালাম দিল। সে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে কন্ঠস্বর স্বাভাবিক রাখার। 
    ‘হাসান। মানিক আসছিল। টাকা দিয়ে দিছি ওকে। বিশ হাজার।’
    ‘আচ্ছা, আলহামদুলিল্লাহ। খুব ভালো হয়েছে।’ 
    ‘ তুমি তাহলে টাকা টা পাঠায় দাও আমার নাম্বারে?’
    ‘চাচা, কাল দিই? আজ একটু…’
    ‘আবার কাল কেন? আজই দাও। সময় তো লাগে না। টাকা নিয়ে দোকানে গিয়ে নাম্বার দিবা। বাস হয়ে গেল।’ 
    ‘আচ্ছা, আচ্ছা চাচা। ইন শা আল্লাহ আজই দিচ্ছি।’ 
    ‘ইন শা আল্লাহ। ঠিকঠাকমত ঢাকায় পৌঁছাইছ তো?’
    ‘হ্যাঁ, আলহামদুলিল্লাহ। চাচা।’ 
    ‘আচ্ছা, আচ্ছা। ভালো থাকো।’ 

 

হাসান এলোমেলো ভাবে হেঁটে যাচ্ছে তমিজন বেগমের বাড়ির উদ্দেশ্যে। সে সামনে যতই এগোচ্ছে, তার ছায়াটা ততই লম্বা হচ্ছে। ছায়া দেখে মনে হচ্ছে, হাসান দীর্ঘ এক মানব। পূর্ব দিকের আকাশে লালচে হলুদাভ চাঁদ উঠেছে। অনেক বড় চাঁদ। অদ্ভুত তার রঙ। চাঁদের দিকে তাকালে কেমন ভয় ভয় লাগে। রাস্তাটাও  ফাঁকা। তবে হাসান ভয় পাচ্ছে না। সে মনে হয় একটি জোনাকি। রাতে জোনাকিদের ভয় নেই । 

(আলহামদুলিল্লাহ, সমাপ্ত)


পূর্বের পর্বের লিংকঃ

https://fictionfactory.org/posts/13908

https://fictionfactory.org/posts/13909

https://fictionfactory.org/posts/13911

https://fictionfactory.org/posts/13923

https://fictionfactory.org/posts/13968

https://fictionfactory.org/posts/13969

https://fictionfactory.org/posts/15954

https://fictionfactory.org/posts/15955

https://fictionfactory.org/posts/15956

https://fictionfactory.org/posts/15957

https://fictionfactory.org/posts/15958


লেখকের সব লেখা পড়তে,
https://fictionfactory.org/contributor/4237

Comments

    Please login to post comment. Login