হাশেম তাদের জানাল, কালো খাতার একটি ছেঁড়া পৃষ্ঠা সে গোপনে রেখে দিয়েছিল।
পৃষ্ঠা খুলতেই রায়হানের বুক কেঁপে উঠল।
সেখানে কয়েকটি নাম।
তার মধ্যে ছিল—
মাহবুব চৌধুরী।
আর ছিল—
আব্দুল কাদেরের দাদা।
রায়হান হতভম্ব।
কাদেরের দাদা কি তাহলে দখলদারদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
কাদেরকে বিষয়টি জানালে সে ভেঙে পড়ল।
“আমার দাদা এমন করতে পারেন না।”
কিন্তু নথি অন্য কথা বলছিল।
তারপর রায়হান খেয়াল করল, নামগুলোর পাশে দুটি কলাম।
একটিতে লেখা “অংশীদার”।
অন্যটিতে “অস্বীকৃত”।
কাদেরের দাদার নাম ছিল “অস্বীকৃত” কলামে।
অর্থাৎ তিনি চক্রের অংশ ছিলেন না।
বরং তাকে কোনো এক কারণে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
নিচে একটি ছোট বাক্য—
“সামাদ কথা বললে পরিকল্পনা ভেঙে যাবে।”
আব্দুস সামাদ।
কাদেরের দাদা।