আদালতে একের পর এক প্রমাণ উপস্থাপন করা হলো।
জাল দলিল।
মৃত মানুষের নামে সম্পত্তি।
কালো খাতা।
১৯৮৯ সালের ভিডিও।
সামাদের সাক্ষ্য।
ভূমি অফিসের গোপন রেকর্ড।
নিখোঁজ মানুষের তালিকা।
সবকিছু একসঙ্গে সামনে আসতেই বহু পুরোনো মামলা নতুন করে খোলা হলো।
কিন্তু দেবাশীষ আদালতে এল না।
তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলো।
পুলিশ শহরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাল।
একটি গোপন অফিস থেকে উদ্ধার হলো শত শত দলিল।
দেবাশীষ পালিয়ে গেছে।
তবে তার সাম্রাজ্যের কাঠামো ভেঙে পড়তে শুরু করেছে।
কাদের তার জমি ফিরে পেল।
রহিমার পরিবার জমি ফিরে পেল।
আর বহু বছর পর শালবনের মানুষ বুঝতে পারল—
তাদের হারিয়ে যাওয়া জমির পেছনে আলাদা আলাদা অপরাধ ছিল না।
ছিল একটি সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা।