মাহবুব জানাল, তার বাবা বহু বছর ধরে এই চক্র চালিয়েছিলেন।
কিন্তু তিনি নিজে প্রথমে এতে যুক্ত হতে চাননি।
তার বাবা মারা যাওয়ার পর তিনি দেখলেন, চক্রটি তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
অসংখ্য লোক এতে যুক্ত।
কেউ দলিল বানায়।
কেউ জমি মাপে।
কেউ আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়।
কেউ ভয় দেখায়।
কেউ মানুষকে নিখোঁজ করে।
মাহবুব বলল—
“আমি চক্রটি বন্ধ করতে চেয়েছিলাম।”
রায়হান বিশ্বাস করল না।
মাহবুব একটি ফাইল এগিয়ে দিল।
ফাইলে ছিল নীলার ছবি।
তারপর কাদেরের ছবি।
তারপর রায়হানের ছবি।
“এগুলো কারা করেছে?”
মাহবুব বলল—
“আমার বাবার তৈরি মানুষগুলো।”
“তাহলে আপনি তাদের থামান।”
মাহবুব বলল—
“আমি একা পারব না।”
রায়হান বুঝল, শত্রু সামনে যতটা দৃশ্যমান, আসল শত্রু তার চেয়েও গভীরে।