কালো খাতার শেষ পাতায় একটি কোড ছিল।
M-23 / R-09 / D-17
রায়হান কোড বিশ্লেষণ করে বুঝল এগুলো জমির দাগ নম্বর নয়।
এগুলো ছিল তিনটি পুরোনো ব্যাংক লকারের নম্বর।
একটি লকারের মালিকানা মাহবুবের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত।
অন্য দুটি বিদেশে থাকা দুই ব্যক্তির নামে।
তারা ব্যাংকে যোগাযোগ করল।
প্রথম লকারে পাওয়া গেল কিছু ছবি।
দ্বিতীয়টিতে পুরোনো দলিল।
তৃতীয় লকারে ছিল একটি ভিডিও ক্যাসেট।
ক্যাসেট চালানো হলে পর্দায় দেখা গেল ১৯৮৯ সালের একটি বৈঠক।
পাঁচজন মানুষ বসে আছে।
তাদের সামনে একটি মানচিত্র।
একজন বলছে—
“প্রথমে ছোট জমি। তারপর রাস্তার পাশের জমি। তারপর বাজার। শেষে পুরো এলাকা।”
আরেকজন বলছে—
“মানুষ বাধা দিলে?”
উত্তর—
“মানুষ চলে যাবে। মাটি থাকবে।”
ভিডিওর শেষে ক্যামেরার দিকে তাকাল একজন।
সে মাহবুবের বাবা।