রায়হান একা ইটভাটায় গেল না। তার সঙ্গে গেল সাংবাদিক নীলা রহমান। নীলা বহুদিন ধরে ভূমি দখল নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করছিল।
রাত সাড়ে এগারোটা।
পুরোনো ইটভাটার চারপাশে ঝোপঝাড়। ভাঙা চিমনি আকাশের দিকে দাঁড়িয়ে আছে। বাতাসে পোড়া মাটির গন্ধ।
তারা ভাঙা একটি ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ভেতর থেকে শব্দ পেল।
কেউ যেন কাগজ ছিঁড়ছে।
রায়হান দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে দেখল—একজন লোক টেবিলে বসে অনেকগুলো কাগজ সাজাচ্ছে।
তার পাশে ছিল একটি পুরোনো টাইপরাইটার।
নীলা মোবাইল বের করে ছবি তুলতে গেল।
ঠিক তখনই লোকটি মাথা তুলল।
দুজনের চোখাচোখি হলো।
লোকটি সঙ্গে সঙ্গে বাতি নিভিয়ে দিল।
রায়হান দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই পেছন থেকে ভারী কিছু তার মাথায় আঘাত করল।
সবকিছু অন্ধকার।
চেতনা ফেরার পর রায়হান দেখল, সে মাটিতে পড়ে আছে।
নীলা নেই।
টেবিলটিও নেই।
শুধু মেঝেতে পড়ে আছে একটি ছোট্ট ধাতব সিল।
সিলটির ওপর লেখা—
MK-7