কাদেরের কাছ থেকে রায়হান জানতে পারল, তার বাবা মারা যাওয়ার আগে একটি কথা বলেছিলেন।
“আমাদের জমির একটা অংশ কখনো বিক্রি করিস না।”
কাদের তখন বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি।
রায়হান পুরোনো খতিয়ান পরীক্ষা করে দেখল, কাদেরের জমির পশ্চিম পাশে একসময় আরও দুই বিঘা জমি ছিল।
সেই জমির মালিক ছিলেন কাদেরের দাদা।
কিন্তু ত্রিশ বছর আগে জমিটি হঠাৎ সরকারি খাসজমি হিসেবে রেকর্ড হয়।
কেন?
কেউ জানে না।
রায়হান পুরোনো মানচিত্র নিয়ে সেই জমিতে গেল।
সেখানে এখন ঘন ঝোপ।
ঝোপের ভেতরে একটি ভাঙা কবর।
কবরের পাথরে লেখা—
“আব্দুস সামাদ — ১৯৮৯”
কাদের অবাক হয়ে বলল, “এটা তো আমার দাদার নাম!”
কিন্তু তার দাদা মারা গিয়েছিলেন ১৯৯৬ সালে।
তাহলে ১৯৮৯ সালের এই কবর কার?
কবরের পেছনে মাটিতে চাপা পড়ে ছিল একটি মরিচা ধরা লোহার বাক্স।
বাক্সের ভেতরে ছিল একটি পুরোনো ছবি।
ছবিতে পাঁচজন মানুষ দাঁড়িয়ে।
তাদের একজন ছিলেন কাদেরের দাদা।
আরেকজন—
মাহবুব চৌধুরীর বাবা।