রায়হান আতঙ্কিত হয়ে নীলাকে খুঁজতে লাগল।
কিন্তু নীলার কোনো সন্ধান নেই।
পুলিশে যাওয়ার আগে সে নীলার ফোনে কল করল। ফোন বন্ধ।
পরদিন ভোরে ইটভাটার কাছের ঝোপ থেকে নীলার ক্যামেরা পাওয়া গেল।
ক্যামেরার মেমোরি কার্ডে মাত্র একটি ছবি ছিল।
ছবিতে দেখা যাচ্ছিল একটি বড় টেবিল।
টেবিলের ওপর কয়েক ডজন দলিল।
সব দলিলের ওপরে একই কালো বৃত্ত।
আর ছবির এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিল একজন মানুষ।
তার মুখ দেখা যাচ্ছিল না।
কিন্তু তার ডান হাতে ছিল একটি রুপালি আংটি।
আংটির ওপর খোদাই করা—
M
রায়হান ছবিটি বড় করে দেখল।
হঠাৎ তার মনে পড়ল।
শালবনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী মাহবুব চৌধুরী সবসময় এমন একটি রুপালি আংটি পরতেন।
কিন্তু অভিযোগ করার মতো কোনো প্রমাণ নেই।
আর নীলা কোথায়?
সন্ধ্যার দিকে রায়হানের ফোনে একটি অচেনা নম্বর থেকে কল এল।
ওপাশে নীলার কণ্ঠ।
খুব নিচু স্বরে সে বলল—
“রায়হান... কাউকে বিশ্বাস করো না।”
তারপর লাইন কেটে গেল।