রায়হান নীলার কণ্ঠ শুনে পুলিশকে জানাল।
কিন্তু পুলিশ তদন্ত শুরু করার আগেই নীলার নামে একটি চিঠি পাওয়া গেল।
চিঠিতে লেখা—
“আমি নিজে থেকেই চলে যাচ্ছি। আমার কোনো বিপদ নেই।”
রায়হান চিঠিটি পড়েই বুঝল—এটি নীলার লেখা নয়।
কারণ নীলা কখনো “আমি নিজে থেকেই” কথাটি ব্যবহার করত না।
চিঠির নিচে আবার কালো বৃত্ত।
রায়হান এবার সরাসরি মাহবুব চৌধুরীর কাছে গেল।
মাহবুব বিশাল অফিসে বসে হাসিমুখে তাকে স্বাগত জানাল।
“আপনি কি আমাকে জমি দখলদার মনে করছেন?”
রায়হান বলল, “আমি কাউকে কিছু মনে করছি না। প্রমাণ খুঁজছি।”
মাহবুব হেসে বলল, “প্রমাণ খুঁজতে গেলে কখনো কখনো মানুষ নিজেই প্রমাণ হয়ে যায়।”
রায়হান বেরিয়ে আসার সময় মাহবুব বলল—
“আপনি কি ‘মাটি খেকো’ কথাটা শুনেছেন?”
রায়হান থেমে গেল।
মাহবুব হাসল।
“এই শহরে সবাই এই নাম জানে। কিন্তু কেউ জানে না, মাটি খেকো কে।”