ইটভাটার পুরোনো নকশা সংগ্রহ করা হলো।
নকশায় একটি ভূগর্ভস্থ কক্ষের অস্তিত্ব ছিল।
কিন্তু পরে সেটি মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রায়হান, নীলা এবং পুলিশ সেখানে খনন শুরু করল।
প্রায় চার ঘণ্টা পর একটি লোহার দরজা বেরিয়ে এল।
দরজা খুলতেই ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হলো।
কক্ষটি বহু বছর ধরে বন্ধ।
দেয়ালে অসংখ্য নাম লেখা।
তার মধ্যে ছিল—
মোতালেব।
রহিমা।
হাবিবুর।
সালেহা।
জহির।
আর সবশেষে—
আব্দুস সামাদ।
কিন্তু মেঝেতে কোনো কঙ্কাল নেই।
শুধু একটি পুরোনো চেয়ার।
চেয়ারের নিচে একটি রেকর্ডার।
রায়হান সেটি চালু করল।
একটি পুরুষ কণ্ঠ শোনা গেল—
“যদি কেউ এই রেকর্ড শুনতে পায়, তাহলে বুঝবে তারা আমাকে শেষ করতে পারেনি।”
কণ্ঠটি ছিল আব্দুস সামাদের।