তিন দিন পর গভীর রাতে নীলা ফিরে এল।
সে রায়হানের অফিসে এসে দরজা বন্ধ করে দিল।
তার চোখে আতঙ্ক।
“ওরা আমাকে মারে নাই,” নীলা বলল। “ওরা আমাকে দেখিয়েছে।”
“কী দেখিয়েছে?”
“মানুষ কীভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়।”
নীলা জানাল, তাকে একটি ভূগর্ভস্থ ঘরে রাখা হয়েছিল।
সেখানে অসংখ্য ফাইল।
প্রতিটি ফাইলে মানুষের নাম, জমির দাগ নম্বর, দলিলের কপি এবং ছবি।
কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় ছিল একটি বড় মানচিত্র।
মানচিত্রে শালবনের বিশাল একটি এলাকা কালো দাগ দিয়ে চিহ্নিত।
নীলা বলল—
“ওরা জমি কিনছে না, রায়হান। ওরা পুরো এলাকাটার মালিকানা বদলাচ্ছে।”
“কার জন্য?”
নীলা উত্তর দিল না।
সে একটি ছোট কাগজ বের করল।
তাতে লেখা ছিল—
MK-1 থেকে MK-23
“এই কোডগুলোর মানে কী?”
নীলা বলল—
“আমি জানি না। কিন্তু MK-7-এর পরের মানুষগুলো কেউ বেঁচে নেই।”